কলিন্স ডিকশনারির বর্ষসেরা শব্দ ‘ভাইব কোডিং’
২০২৫ সালে মানুষের ভাষা, মনোভাব ও তাদের বিভিন্ন আগ্রহকে প্রকাশের জন্য তৈরি ১০টি শব্দের সংক্ষিপ্ত তালিকার মধ্যে রয়েছে ‘ভাইব কোডিং’।
‘ভাইব কোডিং’কে ২০২৫ সালে বছরের সেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইংরেজি ভাষার বহুল পরিচিত অভিধান কলিন্স ডিকশনারি।
প্রোগ্রামিং না জানলেও কিছু সরল ও মজার উপায়ে নিজে প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবেন। ‘ভাইব কোডিং, এমন এক কোডিং পদ্ধতি, যেখানে জটিল কোড শেখার দরকার হয় না, বরং যে কেউ ইচ্ছামতো ভাবনা বা ভিজুয়াল ব্লক ব্যবহার করে প্রোগ্রাম বানাতে পারেন।
কলিন্স ডিকশনারির বর্ষসেরা এ শব্দটি বিভ্রান্তিকরভাবে দুটি শব্দে তৈরি। সাধারণত অ্যাপ বা ওয়েবসাইট বানাতে কোড লেখা লাগে। তবে ভাইব কোডিংয়ের মাধ্যমে নিজে কোড না লিখে এআইকে বর্ণনা করে দিলে তা আপনার কথার ভিত্তিতে নিজে কোড তৈরি করে পুরো অ্যাপ বা ওয়েবসাইট বানিয়ে দেয় বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিবিসি।
ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো এ নামটি দিয়েছিলেন চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআইয়ের সহ‑প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেজ কারপ্যাথি। এআইয়ের সাহায্যে কিছু প্রোগ্রামার ‘কোড থাকার বিষয়টি ভুলে যেতে’ এবং প্রোগ্রাম তৈরির সময় ‘ভাইব বা অনুভূতিকে অনুসরণ করতে পারেন’ এমনটি বোঝাতে এ নাম দিয়েছিলেন তিনি।
২০২৫ সালে মানুষের ভাষা, মনোভাব ও তাদের বিভিন্ন আগ্রহকে প্রকাশের জন্য তৈরি ১০টি শব্দের সংক্ষিপ্ত তালিকার মধ্যে একটি হচ্ছে ভাইব কোডিং।
কোনো এআই টুলকে সহজভাবে যেমন ‘আমার সাপ্তাহিক খাবারের সময়সূচি বানানোর প্রোগ্রাম তৈরি করো’ বললেই ‘ভাইব কোডিং’ ব্যবহার করে কোনো আগাম প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়াই সহজে অ্যাপ তৈরি করতে পারবেন।
এ প্রক্রিয়াটি কোড না জানা মানুষদের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির দুয়ার খুলে দিয়েছে। তবে অনেকে বলছেন, ভাইব কোডিং পুরোপুরি নিখুঁত নয়। এর মাধ্যমে তৈরি কোড সত্যিই কাজ করবে কি না বা ত্রুটি ছাড়া হবে কি না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
কলিন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যালেক্স বিক্রফট বলেছেন, ‘ভাষা কীভাবে প্রযুক্তির সঙ্গে মিশে বিকাশ লাভ করছে তা পুরোপুরি তুলে ধরেছে’ এ শব্দটি।”
