ডিপমাইন্ড প্রতিষ্ঠাতার নাইটহুড প্রাপ্তি, প্রশংসা করলেন ভিডিও গেইমের

“গেইমের প্রতি আপনার আবেগ ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে, সেটা কখনওই জানা সম্ভব নয়। তাই আমি মা-বাবাদের বলব, তারা যেন শিশুদের গেইম খেলার অনুপ্রেরণা দিয়ে পরবর্তীতে তাদের দক্ষতা বিকাশে সাহায্য করেন।”

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 March 2024, 10:35 AM
Updated : 31 March 2024, 10:35 AM

১০ বছর আগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা কোম্পানি। সেটি পরে বিক্রিও করে দিলেও যুক্ত ছিলেন এআইয়ের সঙ্গেই। সেই কাজই তাকে এনে দিল রাজ সম্মান। ডিপমাইন্ড সহপ্রতিষ্ঠাতা হাসাবিস এখন স্যার ডেমিস।

নাইটহুড পাওয়ার পরপরই এক সাক্ষাৎকারে ডেমিস হাসাবিস বলেছেন, শিশুদের সৃজনশীলতার পেছনে ভিডিও গেইমের অবদান রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেছেন, ভিডিও গেইমে শিশুদেরকে উৎসাহ দেওয়া উচিৎ, কারণ এটি তাদের সৃজনশীলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘টুডে’ প্রোগ্রামে কথা বলছিলেন তিনি।

“শুধু ভিডিও গেইম খেলাই নয়, বরং গেইমের সৃজনশীল অংশ শেখানোও গুরুত্বপূর্ণ।”

এমনকি নিজের গেইমিং অভিজ্ঞতা তাকে একজন সফল কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

“গেইমের প্রতি আপনার আবেগ ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে, সেটা কখনোই জানা সম্ভব নয়। তাই আমি মা-বাবাদের বলব, তারা যেন শিশুদের গেইম খেলার অনুপ্রেরণা দিয়ে পরবর্তীতে তাদের দক্ষতা বিকাশে সাহায্য করেন।”

ডেমিস বলেন, শিশুদের উচিৎ একটি ‍‘দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের’ জন্য প্রস্তুত হওয়ার পাশাপাশি ‘এমন পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া’।

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শেষ করে ২০১০ সালে ডিপমাইন্ড প্রতিষ্ঠা করেন ৪৭ বছর বয়সী ডেমিস। এর চার বছর পর ২০১৪ সালে গুগলের কাছে ৫০ কোটি ডলারে ডিপমাইন্ড বিক্রি করেছিলেন তিনি।

কোম্পানিটি মূলত বিভিন্ন এমন অ্যালগরিদম ও মেশিন প্রোগ্রাম তৈরি করে থাকে, যা মানুষের মতো গেইম খেলতে ও ই-কমার্স সাইট নেভিগেট করতে শেখায়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক তার দেশকে এআই বিপ্লবের সামনের সারিতে নিয়ে যেতে চাইছেন। নাইটহুড রাজ পরিবারের পক্ষ থেকে এলেও এই তালিকা চূড়ান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

এর আগে, যুক্তরাজ্যের সরকারি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দপ্তরে উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন ডেমিস। এ ছাড়া, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলার জন্য দেশটির করোনভাইরাস বিজ্ঞানভিত্তিক উপদেষ্টা দলে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

গত বছর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সঙ্গে এআই নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা সংশ্লিষ্ট এক আলোচনায়ও যোগ দিয়েছিলেন ডেমিস।