ডিএসইতে লেনদেন কমে তিনশ কোটির ঘরে, সাড়ে ৯ মাসে সর্বনিম্ন
আগের দিনের চেয়ে সূচকও কমেছে।
সাড়ে ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই); শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ৩১৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকার।
লেনদেনের সঙ্গে শনিবার সূচকও কমেছে। আগের দিনের চেয়ে ১৮ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স নেমেছে ৫ হাজার ৪৩৩ দশমিক ১৭ পয়েন্টে।
এর আগে সবশেষ গত ২৯ ডিসেম্বর লেনদেন হয় ৩০৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এরপর এর চেয়ে কম লেনদেন হয়নি এ বাজারে।
এবার পূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি সমন্বয় করায় সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার খোলা ছিল সব দপ্তর, ব্যাংক ও পুঁজিবাজার।
এদিন সূচকের ঊর্ধ্বগতিতে লেনদেন শুরু হলেও পরে তা কমে যায়। ঘণ্টা দেড়েক পর শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রির পরিমাণ বাড়তে থাকলে সূচকের পতন শুরু হয়। শেষ বেলাতেও তা ঘুড়ে দাঁড়াতে না পারলে সূচক আগের দিনের চেয়ে শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে যায়।
দিন শেষে লেনদেনে আসা ৩৮৬ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৯৬টি শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ২২৯টির। আগের দরে হাতবদল হয় ৬১টির।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এদিন দরবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ। আগের দিনের তুলনায় কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ। লভ্যাংশ ঘোষণার দিন হওয়ায় এদিন দরবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা বা সার্কিট ব্রেকার ছিল না।
শনিবার কোম্পানিটি সবশেষ হিসাব বছরের জন্য ৬ শতাংশ নগদ ল্যভাংশ ঘোষণা করে। দরবৃদ্ধির পর সবশেষ হাতবদল হয় ২০ টাকা ৬০ পয়সায়।
দরবৃদ্ধির দ্বিতীয় স্থানে ছিল এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও পরের অবস্থানে ছিল কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ।
অপরদিকে আগের দিনের চেয়ে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষে দরপতনের শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স। এরপর দর হারানোর তালিকায় যুক্ত হয় প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ও রেনউইক যজ্ঞেশ্বর।
খাতভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে পাট (৩ শতাংশ), মিউচুয়াল ফান্ড (২.৩ শতাংশ), খাদ্য ও আনুষঙ্গিক (১.৩ শতাংশ), ওষুধ ও রসায়ন (০.৯ শতাংশ), প্রকৌশল ও বস্ত্র (০.৫ শতাংশ) ও ব্যাংক খাতে (০.৩শতাংশ)।
এর বিপরীতে ইতিবাচক ধারায় ছিল বীমা খাত। এ খাতের শেয়ারদর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ।
