১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিএসইতে পর্ষদ না থাকায় নষ্ট হচ্ছে পুঁজিবাজারের শৃঙ্খলা: ডিবিএ

গত ১৯ অগাস্ট পদত্যাগ করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু। পরে সরে দাঁড়ান সাত স্বতন্ত্র পরিচালক। দুই দফায় স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলেও কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি হননি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Sep 2024, 11:17 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:34 AM

পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসই পরিচালক পর্ষদ সচল করার দাবি করছে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ডিবিএ।

বাজার মধ্যস্ততাকারীদের সংগঠনটি মনে করছে, পর্ষদ কার্যত অচল থাকায় বাজারের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।

গত ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পরে গত ১৯ অগাস্ট ডিএসইর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের নিয়োগ দেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু।

পরে একে একে স্বতন্ত্র সাত পরিচালকই পদত্যাগ করেন পর্ষদ থেকে। ফলে গত দেড় মাস ধরেই ডিএসই পর্ষদ কাজ করছে না। 

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিবিএ বলেছে, প্রাইমারি রেগুলেটর হিসেবে পুঁজিবাজারের সকল কর্মকাণ্ডে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। পুঁজিবাজারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের উদ্যোগ ও বাস্তবায়নে ডিএসই পর্ষদ সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয়।     

‘‘পরিতাপের বিষয় হল, গত দেড় মাস যাবৎ ডিএসইর পর্ষদ কার্যক্রম নেই। পর্ষদ না থাকার দরুন পুঁজিবাজারের অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না। এর ফলে বাজারের দৈনন্দিন কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়ে বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।’’

‘‘অন্যদিকে এত দীর্ঘসময় ধরে পর্ষদ কার্যক্রম না থাকায় প্রয়োজনীয় বিষয়ে সময়মত সিদ্ধান্তের অভাবে বাজারের শৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়ে বিনিয়োগকারীসহ বাজার অংশীজনদের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’’

ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী, ডিএসইর পর্ষদে স্বতন্ত্র সাত পরিচালক থাকতে হবে। স্বতন্ত্র পরিচালক থেকেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

আর চার পরিচালক নির্বাচিত হবেন শেয়ারহোল্ডারদের ভোটের মাধ্যমে। কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চীনের শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে থাকবেন।

বর্তমানে এই পাঁচ পরিচালক থাকলেও কোনো ধরনের সভা বা বিভাগীয় বৈঠক হচ্ছে না।

দুই দফায় বিএসইসি স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিলেও কেউ দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। সবশেষ তৃতীয় দফায় নিয়োগ দেওয়াদের যোগদানের অপেক্ষায় আছে ডিএসই।

চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ, সিএসই চেয়ারম্যান পদও শূন্য দেড় মাস সময় ধরে।