Published : 09 Jun 2026, 05:47 PM
ফ্লোর প্রাইস উঠে যাওয়ায় বেক্সিমকো লিমিটেড ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেয়াররের দর এক দিনেই কমে গেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
মঙ্গলবারের লেনদেনে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ দর হারিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানির তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো।
আগের দিনের ১১০ টাকা ১০ পয়সা দর নিয়ে বেক্সিমকোর শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়েছিল। দিন শেষে দর কমে হয়েছে ৯৯ টাকা ১০ পয়সা।
মূল বাজারে শেয়ার দর কমলেও ব্লক মার্কেটে আগের দিনের চেয়ে বেশি দরে বেক্সিমকোর কিছু শেয়ার হাতবদল হয়।
ডিএসই তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকোর ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে এদিন। প্রতি শেয়ার সর্বনিম্ন ১০৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা ৯০ পয়সা দরে লেনদেন হয়েছে।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানির তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দর কমেছে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।
আগের দিনের ৩২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ২০ পয়সা দর হারিয়ে এ কোম্পানির শেয়ার সবশেষ হাতবদল হয়েছে ২৯ টাকা ৪০ পয়সায়।
মাসুদ খান গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
করোনাভাইরাস মহামারীর পর ইউক্রেনে-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর বছরে দর পতন ঠেকাতে ২০২২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ওপর ফ্লোর প্রাইস (এক দিনে দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা) আরোপ করে বিএসইসি।
২০২৪ সালের অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে কয়েক ধাপে প্রায় সবগুলো কোম্পানির ক্ষেত্রে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে তা বহাল থাকে।
সেই সীমা উঠে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে সাধারণ নিয়মে এ দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয়।
ডিএসইতে হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন
অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ার পাশাপাশি মঙ্গলবার ডিএসইতে এক হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর তিন দিনই ঢাকার বাজারে লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
মঙ্গলবার দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৬ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্ট হয়েছে।
মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে এদিন। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৬টির, কমেছে ১০০টির এবং ৫১টি শেয়ার আগের দরে হাতবদল হয়েছে।
বীমা, প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন খাত এবং ব্যাংক খাতের শেয়ার হাতবদল হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
সবচেয়ে বেশি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ দর বেড়েছে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের। দরবৃদ্ধির তালিকায় এরপরই রয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ও এপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ার।