Published : 17 May 2025, 06:41 PM
ঈদের অদলবদল ছুটিতে সাপ্তাহিক বন্ধের আমেজে শনিবার খোলা থাকা পুঁজিবাজারে পতন থামলেও লেনদেন কমেছে আরও।
দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৯ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেন নেমে এসেছে ২৬৩ কোটি টাকায়।
এতে করে লেনদেন প্রায় ১১ মাসে আগের পর্যায়ে নেমে গেছে। এর আগে ডিএসইতে এর কাছাকাছি ২৪৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকার লেনদেন হয় ২০২৪ সালের ১৯ জুন। সেদিনও সূচক ৪৩ পয়েন্ট বেড়েছিল আগের দিনের চেয়ে; কোরবানির ঈদের পর প্রথম দিন ছিল।
আগের তিন দিন পতনের জেরে শনিবারও লেনদেন শুরু হয় নেতিবাচক ধারায়। ক্রেতাও ছিল কম। পৌণে এক ঘণ্টা পর শেয়ার কেনার পরিমাণ বাড়লে সূচকের সঙ্গে লেনদেনও বাড়তে থাকে।
এক পর্যায়ে হারানো সূচকের সবটা ফিরে পেয়ে আগের দিনের তুলনায় ইতিবাচক ধারায় শেষ হয় লেনদেন। ওঠা-নামা শেষে সূচক দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮২০ পয়েন্টে।
বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ার দিনে লেনদেনে অংশ নেয় ৩৯৬টি। এরমধ্য দর বাড়ে ২৭৭টির, কমে ৭৯টির ও আগের দরে লেনদেন হয় ৪০টি। সবচেয়ে বেশি হাতবদল হয় ব্যাংক, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ার।
দিনশেষে মোট লেনদেনের ৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা ২৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছিল ব্যাংক খাতের। এরপরই খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
দিন শেষে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় ডিএসইতে শেয়ারদর বৃদ্ধিতে শীর্ষে উঠে আসে শাইনপুকুর সিরামিকস, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস ও এইচ আর টেক্সটাইল।
অপরদিকে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় শেয়ারদর হারানোর শীর্ষে চলে আসে মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ফান্ড ও তুং হাই নিটিং।