Published : 28 Jun 2026, 03:48 PM
মাঠে নামলেই যেন নতুন কোনো রেকর্ড ধরা দিচ্ছে লিওনেল মেসি হাতে। প্রতিদিনই গড়ছেন কোনো না কোনো কীর্তি। জর্ডানের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে খেললেন শেষ ৩০ মিনিট। চমৎকার এক ফ্রি কিকে গোল করে রেকর্ডের আরও অনেক পাতায় জায়গা করে নিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে মেসি ও আর্জেন্টিনার অর্জনগুলো তুলে ধরা হলো-
৭
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোল করেছেন লিওনেল মেসি।
১৯
মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা আগেই হয়েছিলেন মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে আরও এক গোল করে সংখ্যাটা ১৯-এ নিলেন তিনি।
৫
পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের যে কোনো আসরে গ্রুপ পর্বে ৬ গোল করেছেন মেসি। ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কোর পর প্রথম।
৬
বিশ্বকাপের সবশেষ ৬০ বছরের ইতিহাসে ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে সরাসরি ফ্রি কিকে দুটি গোল করেছেন লিওনেল মেসি।
৬
ডি বক্সের বাইরে থেকে এখন পর্যন্ত ছয় গোল করেছেন লিওনেল মেসি। সবশেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ডি বক্সের বাইরে যা সর্বোচ্চ। ৫ গোল নিয়ে এক সময় শীর্ষে ছিলেন ব্রাজিলের রিভেলিনো।
৪
চতুর্থ দল হিসেবে সরাসরি ফ্রি কিক থেকে একাধিক গোল করেছে আর্জেন্টিনা। সবশেষ ৬০ বছরে ১৯৬৬ সালে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে সরাসরি ফ্রি কিক থেকে একাধিক গোল করেছিল ব্রাজিল। ১৯৭৪ সালে জায়ারের বিপক্ষে যুগোস্লাভিয়া এবং ২০১০ সালে ডেনমার্কের বিপক্ষে জাপান এই কীর্তি গড়ে।
৫
পঞ্চম বারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। এর আগে ১৯৩০, ১৯৯৮, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে সবগুলো ম্যাচে জয় পেয়েছিল।
আগের চারবারের শিরোপা জিততে পারেননি আর্জেন্টিনা। ১৯৩০ ও ২০১৪ আসরে খেলে ফাইনালে।
৯
বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচ অপরাজিত আছে আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০২২ সালে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ হেরেছিল। ২০০২ থেকে ২০১০ আসরে সর্বোচ্চ ১০ ম্যাচ অপরাজিত ছিল তারা।
৩৮
বিশ্বকাপে নিজের নবম ম্যাচে এসে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন লাউতারো মার্তিনেস। প্রথম গোলের দেখা পেতে ১৭ শট নিতে হয়েছে। এছাড়া আর্জেন্টিনার জার্সিতে মার্তিনেসের ৩৮তম গোল, দেশটির হয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন তিনি।
১৫৪
জর্ডানের বিপক্ষে ১৫৪ পাস দিয়েছেন লেয়ান্দ্রো পারেদেস। বিশ্বকাপের যে কোনো ম্যাচে আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি পাস সংখ্যা। সবশেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে যে কোনো ফুটবলারের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ পাস সংখ্যা।