Published : 14 Jul 2026, 09:33 AM
ছোটবেলা থেকে যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন, তা পূরণ হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে পাউ কুবার্সি খেলছেন বিশ্বকাপে। এই তরুণ সেন্টার-ব্যাক অল্প বয়সে হয়ে উঠেছেন স্পেনের রক্ষণভাগের নির্ভরতাও। আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে শোনালেন বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন।
ডালাসের মহারণের আগে, এমন হুমকি কুবার্সি আসলে দিতে পারছেন নানা কারণে। কার্লোস পুয়োলকে আদর্শ মেনে বেড়ে ওঠা বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার এবার বিশ্বকাপের এক আসরে ২০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে খেলেছেন সবচেয়ে বেশি- ৫৪০ মিনিট। ফ্রান্সের আক্রমণভাগের সেরা তারকা কিলিয়ান এমবাপের চেয়েও বেশি।
কেবল মাঠের উপস্থিতি নয়, এমরিক লাপোখ্তের সঙ্গে যৌথভাবে চলতি আসরে প্রতিপক্ষের অর্ধে সবচেয়ে বেশি বল পুনরুদ্ধারকারী খেলোয়াড়ও কুবার্সি। গুরুত্বপূর্ণ পাসে সফলতার তালিকায় তার অবস্থান তৃতীয় এবং ড্রিবলিংয়ে চতুর্থ!
কোয়ার্টার-ফাইনালে বেলজিয়াম কোচ হুডি গাহসিয়ার কৌশলে একটু ছাড় পেয়ে যান কুবার্সি, এবং ওই সুযোগেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কাজ সেরে ফেলেন তিনি। ম্যাচের শেষ দিকে তার জোরাল শট গোলরক্ষক ধরতে গিয়ে তালগোল পাকানোর পরই, আলগা বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান গড়ে দেন মিকেল মেরিনো। নিজেকে নিয়ে তাই দারুণ আত্মবিশ্বাসী এই তরুণ।
“আমি হয়ত খুব বড় তারকা নই, কিন্তুৱ সেই লক্ষ্যে ছুটছি …।”
টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী আক্রমণভাগের একটির মুখোমুখি স্পেন। এ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের জালে ১৬ গোল করেছেন এমবাপে-দেম্বেলেরা। অবশ্য তাদের বিপক্ষে স্পেনের লড়াইটাও জমবে বেশ। আসরে কুবার্সি-লাপোখ্তেরা রক্ষণের দৃঢ়তা দেখিয়েছেন দারুণ; ৬ ম্যাচে মাত্র ১ গোল হজম করেছেন তারা।
সেমি-ফাইনাল সামনে রেখে, তাই কুবার্সি দৃঢ়তাভরা কণ্ঠে বলে দিলেন, স্বপ্ন পূরণের খুব কাছাকাছি এসে খালি হাতে তারা ফিরতে চান না কোনোভাবেই।
“ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখেছি বিশ্বকাপ খেলার। আপনি যখন এখানে আসবেন এবং লক্ষ্য পূরণের কাছাকাছি থাকবেন, উদযাপনটা আরও বেশি কল্পনা করতে পারবেন এবং ট্রফি উঁচিয়ে ধারার আকাঙ্ক্ষা অনুভব করতে পারবেন।
“যদি জিততে না পারি, তাহলে লকার রুমে কী চলছে, তার সবটাই জানতে পারবেন…।”
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ডালাসে স্পেন ও ফ্রান্স। ১৫ জুলাই ১টায় (এএম) শুরু হবে ম্যাচটি। দুই দলই শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে ছুটছে।