Published : 15 Jun 2026, 02:42 PM
দায়িতগুলোকে আলিঙ্গন করে নিতে হবে। প্রশংসাগুলোকে করে নিতে হবে প্রেরণা। সঙ্গী করে নিতে হবে সমালোনাগুলোকেও। ভিনিসিউস জুনিয়রের জন্য রবের্তো কার্লোসের পরামর্শ এরকমই। ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ডিফেন্ডারের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপেই নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করবেন তিনি।
ব্রাজিলের জার্সিতে সেই কাজটা তিনি ক্যারিয়ারজুড়ে করতে পেরেছেন সামান্যই। রেয়াল মাদ্রিদের হয়ে সেরা ছন্দের ভিনিসিউসকে যে রূপে দেখে আসছে ফুটবল বিশ্ব, ব্রাজিলের হয়ে সেই চেহারায় তাকে দেখা গেছে কদাচিৎ। দেশের হয়ে বড় আসরে তো তিনি বড় কিছু করতে পারেননি কখনোই।
সমালোচনার তির তাই তার দিকে ছুটে যায় নিত্যই। কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়।
একজন তারকা ফুটবলারের জন্য এসবকে খুব সাধারণ প্রক্রিয়া বলেই মনে করেন কার্লোস। সাবেক এই তারকা ইএসপিএনকে বললেন, সব পারিপার্শ্বিকতাকে সঙ্গী করেই ফুটবলের পথে ছুটতে হবে ভিনিসিউসকে।
“ভিনিকে সবসময়ই প্রশ্ন করা হবে, সমালোচনা করা হবে এবং প্রশংসাও করা হবে। তাকে বুঝতে হবে, সে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাব রেয়াল মাদ্রিদ এবং বিশ্বের সেরা জাতীয় দল ব্রাজিলের হয়ে খেলে।”
“তাকে শান্তভাবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে এবং মেনে নিতে হবে যে, সে এই দলের প্রধান নেতাদের একজন। সে সমালোচনা থেকে পালাতে পারবে না এবং তার দায়িত্ব থেকেও পালাতে পারবে না।”
এবারের বিশ্বকাপের শুরু একদম খারাপ হয়নি ভিনিসিউসের। মরক্কোর সঙ্গে তার গোলেই ড্র করতে পারে ব্রাজিল। যদিও অসাধারণ কোনো পারফরম্যান্স সেদিন মেলে ধরতে পারেননি। তবে গোলটি ছিল দুর্দান্ত। এছাড়াও ম্যাচজুড়ে নানা সময়ে কিছু ঝলকও দেখান তিনি।
ভিনিসিউসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আছে বলেও জানালেন কার্লোস। এজন্যই ২৫ বছর বয়সী তারকার হৃদয়ের ক্ষুধা ও তাড়নার কথা জানেন ব্রাজিলের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ ও ১২৫ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার।
“আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে, এই বিশ্বকাপে ভিনি দেখিয়ে দেবে সে কে এবং পায়ে বল নিয়ে সে কী করতে পারে।”
“সে রোমাঞ্চিত ও আত্মবিশ্বাসী। তার সঙ্গে নিয়মিত কথা বলি আমি। বিশ্বের সবটুকু শুভকামনা জানাই তাকে, কারণ এই গুরুত্বপূর্ণ শিরোপাটি আবারও জেতার চেষ্টায় সে এই ব্রাজিলিয়ান দলের প্রধান ভরসা।”