Published : 16 Jul 2026, 07:25 PM
দৃষ্টিনন্দন শটে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে জালে পাঠিয়েই এন্সো ফের্নান্দেস ডানা মেললেন। মাঠের কোণে গিয়ে গ্যালারির গর্জন শোনার ভঙ্গি করলেন দুই কানে হাত রেখে। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায়, এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের কণ্ঠেও প্রতিধ্বনিত হলো সেই উচ্ছ্বাস।
আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনাকে টেনে তোলার প্রথম কাজটি সারেন ফের্নান্দেস। ৮৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির পাস ধরে ঠাণ্ডা মাথার শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। এরপর, মেসির ক্রসেই লাউতারো মার্তিনেসের হেডে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
চলতি আসরে নিজের সেরাটা মেলে ধরতে পারছিলেন না বলে আক্ষেপের অনলে পুড়ছিলেন ফের্নান্দেস। সেমি-ফাইনালে দলের ভীষণ প্রয়োজনের সময় সাড়া দিতে পেরে তাই খুব খুশি ২৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
“যখন জালে বল জড়ানো দেখলাম, সেই সময়ের অনুভূতি প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। মুহূর্তটির জন্য আমি খুব খুশি। সেমি-ফাইনাল পেরিয়ে, জাতীয় দলের হয়ে আরেকবার ফাইনালে খেলার অনুভূতি বর্ণণাতীত।
“আমি হতাশ ছিলাম। বিগত ম্যাচগুলোতে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলাম না এবং সৃষ্টিকর্তা এই মুহূর্তটি উপহার দিলেন, যেটা তার পরিকল্পনারই অংশ।”
পিছিয়ে থাকার সময়ের যে প্রচণ্ড চাপ, অন্য সবার মতোই অনুভব করতে পারছিলেন ফের্নান্দেস। বললেন, এই মুহূর্তগুলোর জন্যও কৃতজ্ঞ তিনি।
“মাঠের বাইরে যারা থাকে তাদের কষ্টটা কেমন, তাও আমরা জানি। কেননা, এর আগে আমিও বেঞ্চে বসে সতীর্থদের মাঠে দৌড়াতে দেখেছি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আমার ক্ষেত্রেও এটা হয়েছিল। আমি আবেগে কেঁদেছিলাম। এই মুহূর্তগুলোর অভিজ্ঞতা নিতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ।”
শিরোপা ধরে রাখার শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে রোববার স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে তারা।