Published : 16 Jul 2026, 08:08 PM
জুলাই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য, তীব্রতা এবং আন্দোলনের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি নিয়ে তিনটি বিশেষ সংকলন প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে বই তিনটির পাঠ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সমীর কুমার সরকার।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আজম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচিত্র মাত্রা ছিল এবং এর ঐতিহাসিক মূল্য অপরিসীম। এই সংকলনগুলো জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর ঘটনাই শুধু নয়, বরং অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মনস্তাত্ত্বিক পটভূমিও তুলে ধরে।"
সমীর কুমার সরকার বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা আমাদের গণ- আকাঙ্ক্ষার ফসল। আমাদের লেখক-গবেষকদের রচনায় এর শৈল্পিক প্রতিফলন ঘটেছে।”
সভায় প্রকাশিত ৩টি বইয়ের সম্পাদকরা নিজেদের কাজের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রবন্ধ’ শীর্ষক বইটির সম্পাদক সহুল আহমদ বলেন, “এই অভ্যুত্থানকে নানামাত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়েছে। এটি নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন।”
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গল্প’ শীর্ষক সংকলনের সম্পাদক হুমায়ূন শফিক বলেন, “এগুলো কেবল গল্প নয়, সত্য ইতিহাস; যা জুলাইয়ের উত্তাল সময় ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে ধারণ করেছে।”
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছড়া’ শীর্ষক বইয়ের সম্পাদক আবিদ আজম বলেন, “ঐতিহাসিক এই আন্দোলনে ছড়া, গান ও কবিতা স্ফুলিঙ্গের মত আলো ছড়িয়েছে। সেই সময়ের আন্দোলনকে উসকে দেওয়া ছড়া ও স্লোগানগুলোই এই সংকলনে স্থান পেয়েছে।”
আলোচনায় আরো অংশ নেন লেখক ও গবেষক শিবলী আজাদ, কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক তুহিন খান।
বাংলা একাডেমির সহপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মাহবুবা রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।