০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

উপসাগরীয় অঞ্চলের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলার যে হুমকি দিয়েছিলেন, তার প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই হুমকি দিল।

উপসাগরীয় অঞ্চলের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি ইরানের
ইরানের পতাকা। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Jul 2026, 12:09 AM

Updated : 19 Sep 2026, 02:26 PM

যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র বা বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালালে পশ্চিম এশিয়ায় থাকা ওয়াশিংটন ও তাদের মিত্রদের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবারই ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলার যে হুমকি দিয়েছিলেন তার প্রতিক্রিয়াতেই ইরান এই কঠোর অবস্থান জানান দিয়েছে।

ইরান বলেছে, তাদের অবকাঠামোয় কোনও মার্কিন হামলা হলে তা ব্যাপকমাত্রার আঞ্চলিক ধ্বংস ডেকে আনবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের সব অবকাঠামোকে হামলার নিশানা করবে ইরানের বাহিনী।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনাল সেন্ট্রাল কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়ার মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও হস্তক্ষেপ তারা বরদাশত করবে না। এটি তাদের ‘অভেদ্য রেডলাইন’।

তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামোগুলোতে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করলে পশ্চিম এশিয়ায় এতদিন অক্ষত থাকা সব জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে।

ইরান সমান মাত্রায় জবাব দেবে না, বরং তাদের জবাব হবে ধ্বংসাত্মক ও শক্তিশালী। আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে এই প্রত্যাঘাত হবে আরও মারাত্মক, ব্যাপকভিত্তিক এবং আরও বিধ্বংসী।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পঞ্চম দিনের মতো পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকার মধ্যে ইরান এই হুমকি দিল।

ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ফের আরোপ করার পর বুধবার দেশটির উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর ওপর দুই ধাপে বড় ধরনের আক্রমণ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরান।

এবারের লড়াইকে ইরান নিজেদের ‘অস্তিত্বের যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছে।

দুপক্ষের মধ্যে বিদ্যমান একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার কয়েকদিনের মধ্যে সর্বশেষ এই উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনাগুলো ঘটেছে, এতে ফের পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।