Published : 07 Jun 2026, 10:01 AM
স্পেনের মার্বেয়ায় ছুটি কাটাচ্ছিলেন আসান ওয়েদহাওগো। হঠাৎই জার্মানি কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান ফোন করে জানান, বিশ্বকাপ দলে নেওয়া হয়েছে তাকে। শুরুতে কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি। এখন ছোটবেলার একটি স্বপ্নপূরণের উচ্ছ্বাসে ভাসছেন তরুণ এই মিডফিল্ডার।
শুরুতে অবশ্য বিশ্বকাপের জন্য জার্মানির ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে ছিলেন না ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার। শিকাগোতে গত শুক্রবার অনুশীলনের সময় বাম উরুর মাংসপেশি ছিঁড়ে দল থেকে ছিটকে পড়েন লেনার্ট কার্ল। বায়ার্ন মিউনিখের বিস্ময়-বালকের বদলি হিসেবে সুযোগ পান লাইপজিগের ওয়েদহাওগো।
ক্লাবের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোচের কাছ থেকে খবরটি পাওয়ার সেই মুহূর্তের গল্প শোনালেন তিনি।
“ছুটিতে থাকার সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় দলের কোচের কাছ থেকে ফোন পাই। যখন কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান আমাকে বললেন, আমি এখন দলের অংশ, তখন কী ঘটেছে তা উপলব্ধি করতে ও ব্যাপারটা বুঝতে আমার কিছুক্ষণ সময় লেগেছে, তারপর সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে আমার জিনিসপত্র গোছাতে শুরু করি।”
জার্মানির হয়ে এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচ খেলেছেন ওয়েদহাওগো। গত নভেম্বরে তিনি দলে ডাক পান নাদিম আমিরির বদলি হিসেবে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে বদলি নেমে দলের শেষ গোলটি করেন তিনি।
এখন প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার হাতছানি তার সামনে।
“এটা অনেক বড় সম্মানের এবং বিশ্বকাপে জার্মানির প্রতিনিধিত্ব করতে পারার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই গর্বিত। আমার শৈশবের একটি স্বপ্ন সত্যি হয়েছে, যার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি, বিশেষ করে গত কয়েক মাস ও বছর ধরে।”
“একই সঙ্গে লেনির (লেনার্ট কার্ল) দ্রুত ও পুরোপুরি সুস্থতা কামনা করছি। টুর্নামেন্টের এত কাছে এসে চোট পাওয়ায় এবং অংশ নিতে না পারায় তার জন্য খুব খারাপ লাগছে আমার।”
জার্মানি তাদের চার বিশ্বকাপ শিরোপার সবশেষটি জিতেছে ২০১৪ সালে। আগামী ১৪ জুন হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে তারা। ‘ই’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কোত দি ভোয়া ও একুয়েডর।