Published : 12 Jun 2026, 02:46 PM
ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। কানাডাকে নিয়ে দেশটির মানুষের বাড়তি প্রত্যাশা থাকাই স্বাভাবিক। আর সেটার চাপও থাকার কথা দলটির ওপর। তবে কোচ জেসি মার্শ বলেছেন, সেই চাপকে আলিঙ্গন করতেই মুখিয়ে আছেন তিনি ও তার দল।
বুকভরা আশা নিয়ে শুক্রবার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে কানাডা। টরন্টোয় বাংলাদেশ সময় রাত একটায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হবে তারা। ইতিহাসে প্রথমবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় দলটি।
রোমাঞ্চ-উত্তেজনার সঙ্গে চাপ থাকলেও, মার্শ একেবারেই অবিচল। বললেন, এই অনুভূতির জন্যই কানাডার কোচ হয়েছিলেন তিনি।
“পেশা হিসেবে যদি এই কাজ করেন, তাহলে এই জায়গায় (বিশ্বকাপে) আপনি থাকতে চাইবেন। কানাডার কোচ হয়ে এসেছিলাম কারণ এখানকার ছেলেদের আমার ভালো লেগেছিল এবং আমার বিশ্বাস ছিল যে, যেভাবে খেলাতে চাই তারা সেটির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে। তবে এখানে আসার মূল উদ্দেশ্যই ছিল ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে তাদের পথ দেখানো। আমি নিজে থেকেই এই বড় দায়িত্বটা নিতে চেয়েছিলাম।”
২০২৪ সালে মার্শ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কানাডার বেশ উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে, সেই বছরই তারা কোপা আমেরিকার সেমি-ফাইনালে খেলে।
নিজেদের ইতিহাসে এই প্রথম টানা দুটি বিশ্বকাপে খেলবে কানাডা। বিশ্ব মঞ্চে এখন পর্যন্ত কোনো পয়েন্টের দেখা পায়নি তারা। ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে মোট ৬টি ম্যাচ খেলে সবকটিতেই হারে দলটি।
বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্টের খোঁজে থাকা কানাডার কোচ বললেন, তারা এবার প্রস্তুত দেশ ও সমর্থকদের গর্বিত করতে।
“আমরা বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত। আমাদের দেশ ও সমর্থকদের গর্বিত করতে আমরা প্রস্তুত। সামনের চ্যালেঞ্জের জন্য পুরোপুরি তৈরি।”
‘বি’ গ্রুপ কানাডার অন্য দুই প্রতিপক্ষ কাতার ও সুইজারল্যান্ড।