Published : 11 Jun 2026, 07:57 PM
স্পট কিক থেকে গোল করাকে যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন অ্যান্থনি গর্ডন। কোস্টা রিকার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর বার্সেলোনার নতুন এই উইঙ্গার বলছেন, এই কাজটা তিনি সবসময়ই খুব উপভোগ করেন।
বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে বুধবার কোস্টা রিকাকে ৩-০ গোলে হারায় ইংল্যান্ড। গোল করে ও করিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন গর্ডন।
ফ্লোরিডায় বৃষ্টির কারণে এক ঘন্টা দেরিতে শুরু ম্যাচের নবম মিনিটে দলের প্রথম গোলে অবদান রাখেন ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার। বাঁ দিক দিয়ে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে চমৎকার কাট-ব্যাক করেন তিনি, আর জাল খুঁজে নেন ডেক্লান রাইস।
৬৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে জোরাল শটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গর্ডন। এর একটু পরই তুলে নেওয়া হয় তাকে।
ইংল্যান্ডের হয়ে পেনাল্টি নেন সাধারণত অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তবে কোস্টা রিকার বিপক্ষে দলটি পেনাল্টি পাওয়ার একটু আগেই তুলে নেওয়া হয় বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকারকে।
ম্যাচের পর আইটিভিকে গর্ডন বলেন, কেইন মাঠে না থাকায় যেমন খুশি হয়েছিলেন, তেমনি ১২ গজ দূর থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করার চ্যালেঞ্জটি তিনি উপভোগ করেন।

“কেইন মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় আমি খুশিই ছিলাম। তাকে খুঁজে বের করার জন্য চারপাশে তাকাচ্ছিলাম। যখন আমি জানলাম যে, সে বেরিয়ে গেছে, আমি পেনাল্টিটা নিতে চেয়েছি। আমার পেনাল্টি নিতে ভালো লাগে, এর চাপও উপভোগ করি, তাই গোলটা হতে দেখে আমি খুশি।”
ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় গর্ডন। বিশ্ব মঞ্চে মাঠে নামার আগে কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছেন না তিনি।
“ইংল্যান্ডের হয়ে খেলায় সবসময়ই চাপ থাকে। কারণ, বেঞ্চ থেকে এসে নিজের প্রভাব রাখার জন্য দারুণ সব খেলোয়াড় অপেক্ষায় থাকে।”
২০২৫-২৬ মৌসুমে নেওয়া ১০টি পেনাল্টির সবকটিতেই গোল করেছেন গর্ডন। গত মাসে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে বার্সেলোনায় নাম লেখানো এই খেলোয়াড় নতুন সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পরও হয়তো এই দায়িত্ব নিতে চাইবেন।