Published : 10 Jun 2026, 04:46 PM
কাতারে ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর বসে বিশ্বকাপের ২২তম আসর। ২১১ দলের বাছাই পেরিয়ে জায়গা করে নেয় ৩১ দল। বরাবরের মতোই সরাসরি খেলে কাতার।
এই আসরেই শেষবার বিশ্বকাপে খেলে ৩২ দল। পরের আসর থেকে অংশ নেবে ৪৮ দল। মধ্যপ্রাচ্য ও আরব উপদ্বীপে এটাই বিশ্বকাপের প্রথম আসর। প্রথমবার খেলা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এই আসরেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয় আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির।
চার রাউন্ডের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পায় কাতার। প্রথম রাউন্ডে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া, পরের রাউন্ডে জাপান। তৃতীয় রাউন্ডে দক্ষিণ কোরিয়া। শেষ রাউন্ডে ১৪-৮ ভোটে যুক্তরাষ্ট্রকে হারায় কাতার।
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের জন্য বাছাই পর্বে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয় দলগুলোর। ম্যাচের সময় পাল্টাতে হয় অনেকবারই।
এই আসরে নিয়মেও কিছু পরিবর্তন আসে। দলগুলো ৯০ মিনিটে সর্বোচ্চ পাঁচ জন বদলের সুযোগ পায়। ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে বদলাতে পারে আরেকজন। প্রথমবার বিশ্বকাপে যুক্ত হয় ‘কনকানশন সাব।’ প্রতিটি ম্যাচে কোনো দলকে সর্বোচ্চ একজন এই ধরনের বদলের সুযোগ দেওয়া হয়। ইরানের প্রথম ম্যাচে গোলরক্ষক আলিরেজা রেইরানভান্দের জায়গায় নামেন হোসেইন হোসেইনি, এটাই বিশ্বকাপে প্রথম কনকাশন সাবের ঘটনা।
পুরুষদের বিশ্বকাপে নারী রেফারি এই আসরেই দেখা যায় প্রথমবার।
যে দেশগুলো খেলে বিশ্বকাপে-
ইউরোপ: বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, ডেনমার্ক, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, সার্বিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড ও ওয়েলস
দক্ষিণ আমেরিকা: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, একুয়েডর ও উরুগুয়ে
উত্তর আমেরিকা: কানাডা, কোস্টা রিকা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
এশিয়া: অস্ট্রেলিয়া, ইরান, জাপান, কাতার, সৌদি আরব ও দক্ষিণ কোরিয়া
আফ্রিকা: ক্যামেরুন, ঘানা, মরক্কো, সেনেগাল ও তিউনিসিয়া
স্বাগতিক কাতারই এই আসরের একমাত্র নতুন দল। বিশ্বকাপে মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় তারা। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়া প্রথম স্বাগতিক দলও তারা।
৩২টি দল আটটি গ্রুপে খেলে, গ্রুপগুলো হলো-
গ্রুপ এ: কাতার, একুয়েডর, সেনেগাল, নেদারল্যান্ডস
গ্রুপ বি: ইংল্যান্ড, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েলস
গ্রুপ সি: আর্জেন্টিনা, সৌদি আরব, মেক্সিকো, পোল্যান্ড
গ্রুপ ডি: ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, তিউনিসিয়া
গ্রুপ ই: স্পেন, কোস্টা রিকা, জার্মানি, জাপান
গ্রুপ এফ: বেলজিয়াম, কানাডা, মরক্কো, ক্রোয়েশিয়া
গ্রুপ জি: ব্রাজিল, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড, ক্যামেরুন
গ্রুপ এইচ: পর্তুগাল, ঘানা, উরুগুয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া
গ্রুপ ‘এ’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় নেদারল্যান্ডস ও সেনেগাল। দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয় নেদারল্যান্ডস। দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ সেনেগাল।
উদ্বোধনী ম্যাচে কাতারকে হারানোর পর, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয় একুয়েডর। বিশ্বকাপের প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে হারে কাতার।
গ্রুপ ‘বি’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয় ইংল্যান্ড। এক জয় ও দুই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়েসলকে হারিয়ে ইরানের প্রাপ্তি ৩ পয়েন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড্র করে ১ পয়েন্ট নিয়ে আসর শেষ করে ওয়েলস।
গ্রুপ ‘সি’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় আর্জেন্টিনা ও পোল্যান্ড। ২২ নভেম্বর নিজেদের প্রথম ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও সৌদি আরবের বিপক্ষে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। জন্ম নেয় বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটনের একটি। থামে লিওনেল স্কালোনির দলের ৩৬ ম্যাচের অজেয় যাত্রা। ২০১৯ সালের পর প্রথম কোনো ম্যাচে হারে লাতিন আমেরিকার দলটি। সৌদি আরবের কোচ ওই ম্যাচের পর বলেছিলেন, গ্রুপ পেরিয়ে যাবে আর্জেন্টিনা এবং শেষ পর্যন্ত জিতবে বিশ্বকাপ!
পরের দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ সেরা হয় আর্জেন্টিনা। এক জয় ও এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয় পোল্যান্ড। মেক্সিকোরও পয়েন্ট ছিল ৪, তবে গোল পার্থক্যে পিছিয়ে তারা হয় তৃতীয়।
সৌদি আরব বাড়ি ফেরে আর্জেন্টিনাকে হারানোর আনন্দ ও ৩ পয়েন্ট নিয়ে।
গ্রুপ ‘ডি’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া। দুই দলই দুটি করে জয় পায়, গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপ সেরা হয় শিরোপাধারী ফ্রান্স।
ফ্রান্সকে হারিয়ে চমকে দেওয়া তিউনিসিয়া ৪ পয়েন্ট নিয়ে হয় তৃতীয়। ডেনমার্কের প্রাপ্তি একটি ড্র।
গ্রুপ ‘ই’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় জাপান ও স্পেন। সবাইকে চমকে দিয়ে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয় এশিয়ার দেশটি। জার্মানির পর তারা হারায় স্পেনকে, দুই ম্যাচেই ব্যবধান ছিল ২-১।
এক জয় ও এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয় স্পেন। তাদের সমান পয়েন্ট হলেও গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় বিদায় নেয় জার্মানি। জাপানকে হারানো কোস্ট রিকা ৩ পয়েন্ট নিয়ে হয় চতুর্থ।
গ্রুপ ‘এফ’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় মরক্কো ও ক্রোয়েশিয়া। জাপানের মতোই সবাইকে চমকে দিয়ে গ্রুপ সেরা হয় মরক্কো। দুই জয় ও এক ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৭। গত আসরের রানার্সআপ এক জয় ও দুই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে তাদের সঙ্গী হয়।
তারকা খচিত ইউরোপের দল বেলজিয়াম ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছিটকে যায় গ্রুপ পর্ব থেকেই। তিন ম্যাচেই হারে কানাডা।
গ্রুপ ‘জি’ থেকে পরের রাউন্ডে যায় ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড। দুই দলই জিতে দুটি করে ম্যাচ। গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপ সেরা হয় ব্রাজিল।
ব্রাজিলকে হারানো ক্যামেরুন ৪ পয়েন্ট নিয়ে হয় চতুর্থ। সার্বিয়ার প্রাপ্তি ১ পয়েন্ট।
গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে পরের ধাপে যায় পর্তুগাল ও দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম দুই ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট পায় পর্তুগাল। গ্রুপ সেরা হয় তারাই।
শেষ রাউন্ডে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে তাদের সঙ্গী হয় দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ার দেশটির সমান পয়েন্ট ছিল উরুগুয়ের। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের ম্যাচ গোল শূন্য ড্র হয়েছিল। পয়েন্ট, গোল পার্থক্য, নিজেদের মধ্যে লড়াই সব ছিল সমান। গোল বেশি করায় উরুগুয়েকে টপকে দ্বিতীয় হয় দক্ষিণ কোরিয়া।
এক জয় নিয়ে ফেরে আফ্রিকার দল ঘানা।
দ্বিতীয় রাউন্ড
শেষ ষোলোয় মুখোমুখি: নেদারল্যান্ডস-যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা-অস্ট্রেলিয়া, জাপান-ক্রোয়েশিয়া, ব্রাজিল-দক্ষিণ কোরিয়া, ইংল্যান্ড-সেনেগাল, ফ্রান্স-পোল্যান্ড, মরক্কো-স্পেন ও পর্তুগাল-সুইজারল্যান্ড
৩ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রকে সহজেই ৩-১ গোলে হারায় নেদারল্যান্ডস। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে তাদের সঙ্গী হয় আর্জেন্টিনা। সহজ জয়ের পথে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল শেষ দিকে গোল হজম করে ম্যাচ কঠিন করে তুলেছিল। তবে পরে আর নাটকীয় কিছু হয়নি।
পরদিন পোল্যান্ডকে সহজেই ৩-১ গোলে হারায় ফ্রান্স। পরের ম্যাচে সেনেগালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড।
৫ ডিসেম্বর প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় জাপান। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। অতিরিক্ত সময়ে গোল পায়নি কোনো দলই। টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে জিতে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া।
দিনের অন্য ম্যাচে, দক্ষিণ কোরিয়াকে ৩-১ গোলে হারায় ব্রাজিল।
পরদিন মরক্কো ও স্পেনের ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে হয়নি কোনো গোল। টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে স্পেনকে হারিয়ে দেয় মরক্কো।
দিনের অন্য ম্যাচে, সুইজারল্যান্ডকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দেয় পর্তুগাল। হ্যাটট্রিক করেন গন্সালো রামোস।
কোয়ার্টার-ফাইনাল
শেষ আটে মুখোমুখি: নেদারল্যান্ডস-আর্জেন্টিনা, ক্রোয়েশিয়া-ব্রাজিল, ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ও মরক্কো-পর্তুগাল
৯ ডিসম্বরের দুটি কোয়ার্টার-ফাইনাল গড়ায় টাইব্রেকারে। প্রথমটিতে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন নেইমার। ১১৭ মিনিটের গোলে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া।
টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জিতে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া।
পরের ম্যাচে ৮২মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। ৮৩ ও যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে গোল করে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নেয় নেদারল্যান্ডস। সেখানে কোনো গোল হয়নি।
টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতে সেমি-ফাইনালে যায় আর্জেন্টিনা।
পর দিন পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেব সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নেয় মরক্কো। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে তাদের সঙ্গী হয় ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে গোল করে একবার সমতা ফেরালেও, শেষ দিকে আরেকটি পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
সেমি-ফাইনাল
শেষ চারে মুখোমুখি: আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্স-মরক্কো
১৩ ডিসেম্বর একপেশে সেমি-ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৩-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। ২০১৮ সালে এই একই ব্যবধানে গ্রুপ পর্বে ইউরোপের দেশটির বিপক্ষে হেরেছিল তারা।
পরদিন মরক্কোর স্বপ্ন যাত্রা থামিয়ে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ২-০ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয় ফাইনাল খেলে দিদিয়ে দেশমের দল।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মরক্কোকে ২-১ গোলে হারায় ক্রোয়েশিয়া।
ফাইনাল
১৮ ডিসেম্বর, ২০২২! লুসাইল স্টেডিয়ামে মহাকাব্যিক ফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। গ্যালারিতে উপস্থিত প্রায় ৮৯ হাজার দর্শক।
২৩তম মিনিটে সফল স্পক কিকে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন লিওনেল মেসি। ৩৬তম মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন আনহেল দি মারিয়া।
মনে হচ্ছিল সহজ জয়ে ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।
তবে, ৮০ ও ৮১ মিনিটে দুটি গোলে ফ্রান্সকে সমতা ফেরান কিলিয়ান এমবাপে। প্রথম গোলটি করেন তিনি পেনাল্টি থেকে।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ফের আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন মেসি। ১১৮তম মিনিটে আরেকটি পেনাল্টি থেকে ফ্রান্সকে সমতায় ফেরান এমবাপে। ১৯৬৬ সালে জিওফ হার্স্টের পর ফাইনালে হ্যাট্রটিকের কীর্তি গড়েন এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
অন্তিম সময়ে দুটি দারুণ সুযোগ পায় ফ্রান্স। রান্দাল কোলো মুয়ানির শট হাত-পা ছড়িয়ে সেভ করেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস। বিশ্বকাপের গল্পগাঁথার অংশ হয়ে আছে ওই সেভ। পরে বিপজ্জনকভাবে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া এমবাপের শট নেওয়ার আগেই বল ক্লিয়ার করেন পাওলো দিবালা!
টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে নেয় আর্জেন্টিনা। কিংসলে কুমানের শট ঠেকান মার্তিনেস, অহেলিয়া চুয়ামেনি শট নেন বাইরে।
এক নজরে ২২তম বিশ্বকাপ
স্বাগতিক: কাতার
চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা
রানার্স আপ: ফ্রান্স
মোট ম্যাচ: ৬৪
মোট গোল: ১৭২
গোল গড়: ২.৬৯
সর্বোচ্চ গোলদাতা: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স- ৮ গোল)
সেরা খেলোয়াড়: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)