২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ
Published : 15 Jun 2026, 05:08 PM
বিশ্বকাপ মঞ্চে মিশরের পাশে ‘নেই’ শব্দটাই বেশি। আজ অবদি কোনো জয় নেই। স্বাভাবিকভাবেই গ্রুপ পর্ব পেরুনোর গল্পও নেই। এতসব অপ্রাপ্তি নিয়ে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে তারা মুখোমুখি হচ্ছে শক্তিশালী বেলজিয়ামের। দলটির কোচ, হোসাম হাসান আশাবাদী, না পারার বৃত্ত এবার ভাঙতে পারবে মিশর।
মিশর বিশ্বকাপে সবচেয়ে ভালো সময় কাটিয়েছিল, ১৯৯০ সালের আসরে। সেবার ইতালিতে তারা তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে ড্র করেছিল, হেরেছিল একটিতে। ৫৯ বছর বয়সী বর্তমান কোচ হাসান তখন ছিলেন দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়।
সবশেষ মিশর বিশ্বকাপে খেলে ২০১৮ সালে। রাশিয়ার আসরে বড্ড বিবর্ণ ছিল তাদের পারফরম্যান্স। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের সবগুলো হেরে নিয়েছিল বিদায়। ফলে, বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে জয় এখনও মিশরের জন্য অধরা।
সিয়াটলে সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বেলজিয়ামের বিপক্ষে মিশর খেলতে নামবে, প্রথম জয়ের দেখা পাওয়ার তাড়না নিয়ে। অবশ্য এই ম্যাচে ভরাডুবি হলেও তাদের গ্রুপ পর্ব পেরুনোর আশা শেষ হয়ে যাবে না। কেননা, ‘জি’ গ্রুপের অপর দুই দল ইরান ও নিউ জিল্যান্ডের চেয়ে শক্তিতে তারা এগিয়েই। এ মুহূর্তে হাসানের ভাবনা অবশ্য বেলজিয়াম ম্যাচ ঘিরে।
“পরের ধাপে যাওয়ার জন্য আমরা যথেষ্ট পয়েন্ট পাওয়ার চেষ্টা করব এবং এটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা। নিজেদের কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
প্লেমেকার কেভিন ডে ব্রুইনেকে নিয়ে বেলজিয়ামের আক্রমণভাগ দারুণ শক্তিশালী। মিশর দলেও আছে মোহামেদ সালাহ, ওমার মার্মুশের মতো ফরোয়ার্ড, ম্যাচের মোড় যারা ঘুরিয়ে দিতে পারেন মুহূর্তে।
সামর্থ্যে বেলজিয়াম এগিয়ে থাকলেও হেড টু হেডে তারা পিছিয়ে! দুই দল এ পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছে ৪টি, সেখানে মিশরের জয় ৩টি! সবশেষ ২০২২ সালের প্রীতি ম্যাচে বেলজিয়ামকে তারা হারিয়েছিল ২-১ গোলে। সেই জয়ের পুনরাবৃত্তি সিয়াটলে করতে হাসান আস্থা রাখছেন সালাহ-মার্মুশকে নিয়ে সাজানো আক্রমণভাগের উপর।
“বেলজিয়াম দলকে আমরা শ্রদ্ধা করি। তাদের দলে বড় বড় তারকা আছে এবং সারা বিশ্ব জানে, তাদের সামর্থ্য। কিন্তু আমাদেরও তারকা আছে এবং পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো খেলোয়াড় আছে।”
“মোহামেদ সালাহ দলের জন্য, মাঠের ভেতরে-বাইরে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দুনিয়া জানে তার সামর্থ্য। আমি জানি, মিশরীয়রা তাদের জাতীয় দলকে ভালোবাসে এবং আমার দায়িত্ব, তাদেরকে খুশি করার জন্য সবকিছু করা।”