Published : 30 Jun 2026, 10:25 PM
ইরান ফুটবল দলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ায় নিজের উচ্ছ্বাস লুকাতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) প্রধান মার্কওয়েইন মুলিন। দলটির বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর নেচে-গেয়ে আনন্দ করেন তিনি।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ না হেরেই বিদায় নিতে হয়েছে ইরানকে। তিন ম্যাচই ড্র করে ‘জি’ গ্রুপে তৃতীয় স্থানে ছিল তারা। তৃতীয় সেরা আট দলের একটি হয়ে বিশ্ব মঞ্চে প্রথমবারের মতো নকআউটে খেলার আশায় ছিল দলটি।
কিন্তু গ্রুপ পর্বের একেবারে শেষ দিন এসে ভাঙে তাদের স্বপ্ন। গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় শেষ বত্রিশে জায়গা পায়নি ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় চলমান বিশ্বকাপে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় ইরানকে। মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভেন্যুতে গিয়ে খেলতে হয়ে তাদের। সেখানেও ছিল কড়া ভ্রমণ বিধিনিষেধ।
প্রথম দুই ম্যাচের ভেন্যুতে খেলার এক দিন আগে যেতে পেরেছিল ইরানের বিশ্বকাপ দল। ম্যাচ শেষেই আবার মেক্সিকোর বেইস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হয় তাদের। শেষ গ্রুপ ম্যাচের আগে সেই বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র। এবার একদিনের বদলে দুই দিন আগে ভেন্যুতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় তাদের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হয় ম্যাচ শেষেই।
ইরান দলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এমন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কোচ আমির গালেনোই। তিনি বলেছিলেন, বিশ্বকাপে ইরান “সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত দল।” শেষ গ্রুপ ম্যাচের পর ইরান অধিনায়কও উগড়ে দেন ক্ষোভ।
ইরানের ওপর এসব বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) থেকে। সোমবার সাংবাদিকদের ডিএইচএস প্রধান মুলিন বলেন, “আমি স্রেফ খুশি যে তারা বিদায় নিয়েছে, তারা আর ফিরছে না।”
“যখন আমরা তাদের ভিসা বাতিল করতে পারলাম এবং বললাম যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে পারে, তখন আমি খুবই খুশি ছিলাম। ওই সময় আমি সম্ভবত দুয়েকটি গানও গেয়েছি, এমনকি আনন্দে হয়তো একটু নেচেও ফেলেছি।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হুট করে ইরানে আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মেরে ফেলা হয় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে। পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে হামলা করে ইরানও।
উদ্ভূত সেই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়েই জাগে প্রবল সংশয়। পরে ইরান নিজেদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়। তাতে কান দেয়নি ফিফা। এরপর অনেক ভোগান্তি সহ্য করে তাদের খেলতে হয় বিশ্বকাপে।
ইরানকে নিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছিলেন মুলিনরাও, “ইরানের চেয়ে অন্য কোনো দলের পেছনে আমাদের এত বেশি সময় ব্যয় করতে হয়নি।”
বিশ্বকাপে যেখানে অনন্য ফ্রান্স
রোনালদো-লেওনিদাসকে টপকে চূড়ায় এমবাপে
আবার এমবাপের জোড়া গোল, ভয়ঙ্কর-সুন্দর ফ্রান্স