Published : 19 Jun 2026, 01:24 PM
ম্যাচের ৭৩ মিনিট পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডকে আটকে রাখে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। কিন্তু এরপর বদলে যায় দৃশ্যপট। একের পর এক গোল হজম করে বড় ব্যবধানে হারে দলটি। ম্যাচ শেষে কোচ সের্গেই বার্বারেসের কণ্ঠে ঝরে ভালো শুরুর পর ছন্দ ধরে রাখতে না পারার আক্ষেপ।
লস অ্যাঞ্জেলসে বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে হারে বসনিয়া। অথচ ম্যাচের ৭৩ মিনিট পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল গোলশূন্য।
৭৪তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন বদলি নামা সুইজারল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় ইয়োহান মানজাবি। এর ছয় মিনিট পর লাল কার্ড দেখেন বসনিয়ার একজন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া প্রতিপক্ষকে আরও চেপে ধরে সুইসরা। ৮৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান রুবেন ভার্গাস।
মানজাবির দ্বিতীয় গোলে সুইজারল্যান্ডে সব অনিশ্চয়তা কেটে যায়। যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে চতুর্থ গোলটি করেন অধিনায়ক গ্রানিত জাকা। মাঝে একটি গোল শোধ করতে পারে বসনিয়া।
আসরে প্রথম ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে ১-১ ড্র করেছিল বসনিয়া। পরের ধাপে যাওয়ার এখনও সুযোগ আছে তাদের। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কাতার, যাদেরকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কানাডা।
সুইসদের বিপক্ষে বিধ্বস্ত হওয়ার পরও শেষ বত্রিশে ওঠার আশা ছাড়ছেন না বার্বারেস। তার পুরো মনোযোগ এখন কাতার ম্যাচে।
“আমাদের তৃতীয় ম্যাচ বাকি আছে, এখন কিছুই শেষ হয়ে যায়নি। ম্যাচটি আমাদের জিততেই হবে, যদি আমরা পরের ধাপে যেতে চাই। এটা আমাদের জন্য বড় পরাজয়, তবে আমি অজুহাত দেওয়া পছন্দ করি না।”
শেষের ওই ২০ মিনিটের আগে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যেভাবে খেলেছে দল, তাতে গর্ব হচ্ছে বসনিয়া কোচের।
“(হাইড্রেশন ব্রেকের আগে) মাঠে আমরাই সেরা দল ছিলাম। দুই কিংবা তিনটা দারুণ সুযোগ পেয়েছিলাম, যেগুলো গোল হওয়া উচিত ছিল। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে ছিল এবং তাদেরকে চাপে রেখেছিলাম।”
সিয়াটলে আগামী বুধবার কাতারের মুখোমুখি হবে বসনিয়া।