Published : 15 Jul 2026, 05:19 PM
হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহ্যামের মতো তারকাদের নিয়ে গড়া ইংল্যান্ড দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে নির্ভার থাকার সুযোগ নেই আর্জেন্টিনার। ইংলিশদের শক্তি আর দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ড্রেসিংরুমে যে হালকা উদ্বেগ কাজ করছে, সেটা লুকাননি রদ্রিগো দে পল। বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের মতে, এই উদ্বেগই তাদেরকে আরও বেশি মনোযোগী করে তুলেছে।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ১৬ জুলাই ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় ১টায় (এএম) শুরু মাঠের লড়াই।
ম্যাচটির আগে শেষ অনুশীলন সেশনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দে পল। সেখানেই ইংল্যান্ডকে নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন তিনি।
“অবশ্যই, আমাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ কাজ করছে, কারণ দুর্দান্ত একটি দলের মুখোমুখি হব আমরা। তাদের শীর্ষমানের অনেক খেলোয়াড় আছে। আমার মনে হয় তাদের দারুণ একজন কোচও আছে।
“ওই সব উদ্বেগগুলোই আমাদের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করছে। তারা যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তা নিশ্চিত করতেই সময়টা কাজে লাগাচ্ছি।”
চার বছর আগের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। ওই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন দে পল। আরেকটি ফাইনাল খেলার খুব কাছে দাঁড়িয়ে অন্য রকম এক রোমাঞ্চ কাজ করছে তার মধ্যে।
“আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনাল থেকে স্রেফ এক ধাপ দূরে… এর চেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আর কিছু হতে পারে না।
“বিশ্বকাপে খেলতে সবাই ভালোবাসে। প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল, আমরা সবসময় এভাবেই ম্যাচগুলোকে দেখে এসেছি। আমরা এমন একটি দলের মুখোমুখি হচ্ছি, যাদের বিপক্ষে আগে কখনও খেলেনি। শক্তিশালী একটি দল যারা এই বিশ্বকাপে (সেমি-ফাইনালে ওঠা) অন্য চার দলের মতো খুবই ভালো খেলে এখানে এসেছে। দুর্দান্ত একটি ম্যাচ হবে।”
১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর আর কোনো দল বিশ্বকাপ ধরে রাখতে পারেনি। সেই কীর্তি গড়ার হাতছানি আর্জেন্টিনার সামনে। তেমন কিছু করতে হলে যে নিজেদের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিতে হবে, সেটা নিয়ে কোনো সংশয় নেই দে পলের।
“কোপা আমেরিকায় এটা (শিরোপা ধরে রাখা) করতে পেরেছি, তবে এটা বিশ্বাস করি যে, শিরোপা ধরে রাখা সবসময়ই বেশি কঠিন। অনেক বছর ধরে শীর্ষে থাকা সহজ কাজ নয়। আর আমরা সেটা করতে পেরেছি। সতীর্থদের নিয়ে আমি গর্বিত।”
“হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ কিংবা এমন বড় টুর্নামেন্টে খুব ছোট ছোট কিছু মুহূর্ত ও সূক্ষ্ম পার্থক্যের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারিত হয়।”