২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

‘এই বিশ্বকাপ জেতার মতো অনুভূতি আর হবে না’

বিশ্বকাপ জেতার উচ্ছ্বাস যতোটা সম্ভব উপভোগ করতে চান আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড পাওলো দিবালা।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Dec 2022, 12:10 PM

Updated : 19 Dec 2022, 01:52 PM

চোটের কারণে বিশ্বকাপে খেলা নিয়েই একটা পর্যায়ে সংশয়ে ছিলেন পাওলো দিবালা। শেষ পর্যন্ত টিকে গেলেও আসরে সেভাবে খেলারই সুযোগ মিলছিল না। তবে ফাইনালে চাপের মুখে টাইব্রেকারে লক্ষ্যভেদ করে দলের জয়ে রাখেন দারুণ অবদান। দেশের তৃতীয় ও নিজের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগ ছুঁয়ে যায় এই ফরোয়ার্ডকে। তার মতে, এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি আর হবে না।

বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচেই শুরুর একাদশে সুযোগ মেলেনি দিবালার। ফাইনালেও নামেন বদলি হিসেবে। হয়তো সেভাবে আলোচনায় আসেনি,তবে অন্তিম সময়ে তিনিই ছিলেন ত্রাতা। দারুণ গতিতে কয়েক জনকে পেছনে ফেলে বাঁদিক থেকে ডি বক্সে ঢুকে গিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। স্রেফ শট নেওয়ার অপেক্ষা, এমন সময়ে ছুটে গিয়ে বল ক্লিয়ার করেন দিবালা। সেটি না করতে পারলে হয়তো ম্যাচের চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো।

৩-৩ সমতার পর ম্যাচ যখন গড়ায় টাইব্রেকারে, তখন দলের দ্বিতীয় শট নেন রোমার এই ফরোয়ার্ড।

দিবালা যখন আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় শন নিতে যান, টাইব্রেকারে তখন ১-১ সমতা। সেভাবে খেলতে না পারা ও একটি গোলও না করায় একটু আড়ষ্ট থাকাটা অসম্ভব ছিল না তার জন্য। তবে ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষকে বোকা বানিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। এরপর এমিলিয়ানো মার্তিনেসের নৈপুণ্য আর কিংসলে কোমান ও অহেলিয়া চুয়ামেনির ব্যর্থতায় ৪-২ ব্যবধানে জিতে বিজয় উল্লাসে মেতে ওঠেন মেসি-দিবালারা।

ম্যাচের পর টাইব্রেকারের সময়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে দিবালা জানালেন, ওই সময়ে ক্যারিয়ারের একদম শুরুর দিকের সময়ের কথা স্মরণ করেছিলেন।

 “আমি কর্দোবার কথা ভাবছিলাম, সবকিছুই মনে পড়ছিল। এভাবে লড়াইয়ে যুক্ত হওয়া, মাথা ঠাণ্ডা রাখা, এটি সহজ ছিল না। কিন্তু আমার মাথা খুব ভালো কাজ করছিল। এখন আমাদের মনে অনুভূতি খেলা করছেন, এর পুনরাবৃত্তি আর কখনই হবে না।”