দলের উন্নতিতে আশাবাদী হয়ে উঠছেন মরিনিয়ো
তবে ম্যাচে সুযোগ অনুযায়ী গোল করতে না পারায় কিছুটা হতাশাও আছে রেয়াল মাদ্রিদ কোচের।
এইতো মাসখানেক আগেও নিজের দলকে নিয়ে খুব বেশি ‘আশাবাদী’ হতে পারছিলেন না জুজে মরিনিয়ো। মাঠে যে তার দল ধারাবাহিক হতে পারছিল না। তবে সময় পাল্টেছে। মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোসহ সবশেষ ছয় ম্যাচে জয় পেয়েছে রেয়াল মাদ্রিদ। তাতে দারুণ কিছুর উজ্জ্বল সম্ভাবনাও দেখতে শুরু করেছেন দলটির কোচ।
মৌসুমের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি ম্যাচে ভালো শুরু করলেও, শেষদিকে খেই হারিয়ে ফেলতে দেখা যায় রেয়ালকে। সবশেষ আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতির আগে লা লিগায় চার ম্যাচের মধ্যে দুটিতে হেরে বসে তারা।
সেই সময় মরিনিয়ো নিজের দলের সমালোচনায় বলেছিলেন, “ম্যাচের (পুরোটা সময়) খেলে যাওয়ার শারীরিক ও মানসিক শক্তি দলের নেই। ওদের শক্তির ঘাটতি আছে, সেটা শুধু শারীরিক নয়, মানসিকও।”
সময়ের সঙ্গে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে এখন অবশ্য দারুণ পারফর্ম করছে। সবশেষ রোববার লা লিগায় রেসিং সান্তান্দেরের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৩-০ গোলে জিতেছে তারা।
কিলিয়ান এমবাপে সফল স্পট কিকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর, প্রথমার্ধেই বাকি গোল দুটি করেন জুড বেলিংহ্যাম ও ইয়ান ডিওমান্ডে।
ম্যাচের পর বিশেষ করে অ্যটাকিং মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম ও উইঙ্গার ডিওমান্ডের আক্রমণের পাশাপাশি রক্ষণেও ভূমিকা রাখার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে, এক্ষেত্রে দলের সবার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন মরিনিয়ো।
“এটা এমন কিছু, যা এখন দলের সবার মাঝেই দেখা যাচ্ছে। অবশ্যই দলে এমন খেলোয়াড় আছে, যারা শারীরিক ও কৌশলগতভাবে বেশি শক্তিশালী তারা রক্ষণে বেশি ভূমিকা রাখে, তবে আমি এখন খেলোয়াড়দের মাঝে আরও বেশি নিবেদন দেখছি।
“দল উন্নতি করছে এবং ভালো খেলছে। আমার মতে, আমরা যত সুযোগ পাচ্ছি সেই হিসেবে আমাদের আরও গোল করা উচিত। তবে আমরা উন্নতি করছি। নিচে নেমে খেলার সময়ও দল এখন জানে, কীভাবে জমাট থাকতে হয়। দলের উন্নতিতে আমি খুশি। আর আপনি ঠিক বলেছেন, আক্রমণাত্মক মানসিকতার খেলোয়াড়রা যখন এমন নি:স্বার্থভাবে অবদান রাখে, তখন সেটা দলে একটা ইতিবাচক বার্তা দেয়।”
লিগ টেবিলে এখনও অবশ্য তৃতীয় স্থানে আছে রেয়াল। ১১ ম্যাচে ৯ জয়ে তাদের পয়েন্ট ২৭।
তাদের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে দুইয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদ। আর ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।
