ইংলিশ ফুটবল
Published : 04 Jan 2026, 03:50 PM
বোর্নমাউথের মাঠে কঠিন লড়াইয়ের ম্যাচে যেভাবে দলকে পথ দেখালেন, জোড়া গোল করে পৌঁছে দিলেন জয়ের ঠিকানায়, তাতে তাকে নিয়ে খুব খুশি আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। তার চোখে রাইস বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডারদের একজন।
বোর্নমাউথের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই গাব্রিয়েল মাগালিয়াইসের হাস্যকর ভুলে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল। কিছুক্ষণ পরেই দলকে সমতায় ফিরিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেন এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার।
এরপরও মাঠে লড়াই চলতে থাকে সমানে সমান। বল দখলে আর্সেনাল একটু এগিয়ে থাকলেও, গোলের জন্য বেশি শট নেয় স্বাগতিকরা। তাদের ১৫ শটের তিনটি লক্ষ্যে ছিল, আর আর্সেনালের ১২ শটের পাঁচটি।
সময়ের সঙ্গে কঠিন হতে থাকা ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দুবার জালে বল পাঠিয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন রাইস। পরে ইলি জুনিয়র ক্রুপি আরেকটি গোল শোধ করে শেষের নাটকীয়তার আভাস দিলেও, শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে স্বস্তির জয় নিয়ে ফেরে সফরকারীরা।
২০২৩ সালে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড থেকে ক্লাব রেকর্ড ১০ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড ট্রান্সফার ফিতে আর্সেনালে যোগ দেন রাইস। শুরুতে তিনি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি মূল মিডফিল্ডার হয়ে উঠেছেন। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি আক্রমণ গড়ায় ম্যাচ জুড়েই দারুণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
বোর্নমাউথ ম্যাচের আর্তেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ২৬ বছর বয়সী রাইস কি ফুটবলের দুর্দান্ত সব মিডফিল্ডারদের কাতারে উঠে গেছেন। উত্তরে কোচ বলেন, “হ্যাঁ, আমার কাছে তাই।”
“আমার দৃষ্টিতে, আমাদের দলে যারা আছে তারাই সেরা এবং ডেক্লান (রাইস) প্রতিনিয়ত তার খেলায় উন্নতি করে চলেছে, দলে তার অবদানের সীমানা বাড়িয়ে চলেছে এবং আমি তার কোনো সীমা দেখছি না কারণ সে এখনও তার খেলার অনেক জায়গায় উন্নতি করতে পারে।”
“সে আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।”
এবারের প্রিমিয়ার লিগে দলের ২০ ম্যাচের ১৮টিতেই খেলেছেন রাইস। সব মিলিয়ে এই মৌসুমে তিনি খেলেছেন ২৬টি ম্যাচ; চারটি গোল করার সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছেন ছয়টি।
জয়ে নতুন বছর শুরু করে লিগ টেবিলেও শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছে আর্সেনাল। ২০ ম্যাচ ১৫ জয় ও তিন ড্রয়ে ৪৮ পয়েন্ট তাদের।
সমান ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অ্যাস্টন ভিলা।
এক ম্যাচ কম খেলে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ম্যানচেস্টার সিটি।