স্প্যানিশ ফুটবল
Published : 17 Oct 2025, 05:46 PM
শাবি আলোন্সোর কোচিংয়ে রেয়াল মাদ্রিদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন এখন আর্দা গিলের। সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে নিজের প্রথম দুই মৌসুমে খুব বেশি খেলার সুযোগ না পেলেও এখন তিনি শুরুর একাদশের নিয়মিত সদস্য। দারুণ প্রতিভাবান এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বললেন, এখানে তার শুরুটা যে কঠিন হবে, সেই বার্তা তাকে দিয়ে রাখা হয়েছিল আগেই।
২০২৩ সালে তুরস্কের ক্লাব ফেনারবাচে থেকে রেয়ালে পাড়ি জমান গিলের। তার প্রতিভা ও সম্ভাবনা নিয়ে তুরস্কের ফুটবলে আলোচনা ছিল আগে থেকেই। দুর্দান্ত ড্রিবলিং দক্ষতার জন্য তিনি পরিচিতি পেয়ে যান ‘তুরস্কের মেসি’ বা ‘টার্কিশ মেসি’ নামে।
স্বপ্নের ক্লাব রেয়ালে প্রথম মৌসুমে স্বাভাবিকভাবে খুব বেশি খেলার সুযোগ তিনি পাননি। তখনও যে মাঝমাঠে রেয়ালের মূল ভরসা টনি ক্রুস ও লুকা মদ্রিচ। ২০২৩-২৪ মৌসুম শেষে রেয়াল ও ক্লাব ফুটবলকে বিদায় জানান জার্মান গ্রেট ক্রুস। পরের মৌসুমে গিলেরের খেলার সুযোগ কিছুটা বাড়ে। তবে বেশিরভাগ ম্যাচে তাকে নামতে হয় বদলি হিসেবে।
তুরস্কের বিস্ময় প্রতিভাকে নিয়মিত না খেলানোয় অনেক সমালোচনাও শুনতে হয় রেয়ালের তখনকার কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। গত মৌসুমের লা লিগা শেষে বের্নাবেউ ছেড়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন এই ইতালিয়ান কোচ। মৌসুম শেষে রেয়ালকে বিদায় বলে দেন ক্রোয়াট তারকা মদ্রিচও।
ক্রুস ও মদ্রিচের বিদায়ের পর এই মৌসুমে মাঝমাঠে রেয়ালের মূল ভরসা হয়ে উঠেছেন গিলের। ২০ বছর বয়সী ফুটবলার মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে দলের প্রথম ১০ ম্যাচের সবকটিতেই খেলেছেন এবং ৯টিতেই ছিলেন শুরুর একাদশে। তিনটি গোল করার পাশাপাশি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি চারটি।
ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গিলের বললেন, ইউরোপের সফলতম ক্লাবটিতে ভালো করা নিয়ে কখনোই সংশয় ছিল না তার মনে।
“জানতাম, আমি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাবে আছি। প্রথম অনুশীলন সেশন থেকেই জানতাম, আমার খেলার মান রয়েছে। এখানে সফল হওয়া নিয়ে আমার মনে কখনও সংশয় জাগেনি। তারা আমাকে বলেছিল, প্রথম বছর কঠিন হবে। তারা আমাকে আরও বলেছিল যে, মদ্রিচ ও ক্রুস পরবর্তী যুগের জন্য আনা হয়েছে আমাকে। সবকিছু পরিষ্কার ছিল এবং এটা ভালো।”