লিভারপুলে ‘লড়াইয়ের মানসিকতার’ ঘাটতি দেখছেন সোবোসলাই
ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে নিজেদের পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যা পাচ্ছেন না এই মিডফিল্ডার।
ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া ম্যাচে নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতার ঘাটতি দেখেছেন দমিনিক সোবোসলাই। দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স ব্যাখ্যা করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না হাঙ্গেরির এই মিডফিল্ডার।
এফএ কাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে শনিবার সিটির মাঠে ৪-০ গোলে হারে লিভারপুল।
আর্না স্লটের দলের শুরুটা ভালো ছিল। কিন্তু হুট করে খেই হারিয়ে বিরতির আগে-পরে ২০ মিনিটের মধ্যে চার গোল হজম করে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। পিছিয়ে পড়ার পর, চলতি মৌসুমে ১৯ ম্যাচের মধ্যে কেবল দুটিতে জিততে পেরেছে লিভারপুল।
স্লটের কোচিংয়ে এবং ২০২০ সালের অক্টোবরের পর এটাই লিভারপুলের সবচেয়ে বড় হার।
এফএ কাপ থেকে বিদায়ের পর টিএনটি স্পোর্টসকে হতাশার কথা বলেন সোবোসলাই।
“আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম এবং সেগুলো হাতছাড়া করেছি। আমরা একটি সহজ পেনাল্টি হজম করেছি। আমরা ৪-০ গোলে হেরেছি। আমরা অনেক গোল হজম করেছি, এটা আমরা করতে পারি না। এর বাইরে কিছু বলার নেই।”
“এখানে জয় পাওয়া কঠিন। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও বিশ্বাস থাকে (ঘুরে দাঁড়ানোর)। বিরতির আগে শেষ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করি আমরা নিজেদের দোষেই। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর সম্ভাবনা কমতে থাকে। এরপর আপনি আবার খেলতে নেমে দেখাতে চাইলেন যে, আপনি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন আর তখনই তৃতীয় গোল হজম করলেন। এরপর আর ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা ছিল না।”
হ্যাটট্রিক করেন সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। অন্য গোলটি করেন আন্টোনিও সেমেনিও। তাদের কোনো জবাবই দিতে পারেননি মোহামেদ সালাহ, উগো একিটিকেরা। সোবোসলাই মনে করেন, সিটির বিপক্ষে যথেষ্ট দৃঢ়তা দেখাতে পারেনি তারা।
“লড়াকু মনোভাবের ঘাটতি ছিল, সঠিক মানসিকতা যথেষ্ট ছিল না। নিজেদের প্রতি আমরা যতটা সৎ থাকতে পারতাম, ততটা ছিলাম না। এটা কঠিন একটা সময় এবং আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বুধবার আমাদের সামনে আরেকটি সুযোগ আছে। তবে আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা এভাবে মৌসুম শেষ করতে চাই না।”
“আমি জানি না, আমরা কেন সিটিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারলাম না। সত্যি বলতে, সঠিক শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমরা এটা খুব করে চেয়েছিলাম। আপনি সিটির মাঠে ৪-০ ব্যবধানে হেরেছেন, যা ভালো কিছু নয়।”
লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে সোবোসলাইয়ের মন্তব্য নিয়ে পরে জানতে চাওয়া হয় কোচ স্লটের কাছে।
“তাকে আমার জিজ্ঞেস করতে হবে, সে কী বুঝিয়েছে এবং কোন সময়ের কথা বলেছে। যদি সে পুরো ম্যাচের কথা বলে থাকে তো, আমি তাদের প্রথম গোল করার আগ পর্যন্ত এমনটা অনুভব করিনি।”
