সাফ ফুটসাল
Published : 11 Jan 2026, 06:24 PM
প্রস্ততির স্বল্পতা যাই থাকুক না কেন, প্রথমবারের মতো মেয়েদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে সাবিনা খাতুন তা নিয়ে খুব বেশি ভাবতে চাইছেন না। ঢাকার মতো তাই থাইল্যান্ডে গিয়েও বাংলাদেশ অধিনায়ক শোনালেন ভালো ফল নিয়ে দেশে ফেরার আশাবাদ।
মালদ্বীপ-ভারত ম্যাচ দিয়ে মঙ্গলবার শুরু হবে আসর। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই সাবিনা-মাসুরাদের পথচলা শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার।
টুর্নামেন্ট উপলক্ষে রোববার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা, কোচ সাঈদ খোদারাহমির কণ্ঠে শোনা গেল আত্মবিশ্বাসের স্ফুরণ।
সাবিনার জন্য এই টুর্নামেন্ট অবশ্য বিশেষ চ্যালেঞ্জের। দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ফুটসালে খেলার অভিজ্ঞতা কেবল তার আছে। এছাড়া দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ফুটবল, দেশকে দিয়েছেন নেতৃত্ব, দুটি উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলের শিরোপা এনে দিয়েছেন। ফুটসালেও নেতৃত্বের ভার উঠেছে তার কাঁধে। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পুনরাবৃত্তি করলেন ঢাকায় বলে যাওয়া কথারই।
“আপনারা জানেন যে আমি ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি এবং ফুটসালটা হচ্ছে আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে টুর্নামেন্টটাতে ভালো কিছু করার এবং দেশের জন্য খেলাটা তো সবসময় গর্বের বিষয় এবং ইনশাআল্লাহ সেটাই আমাদের দৃঢ় লক্ষ্য।”
“প্রস্তুতি বেশ…আলহামদুলিল্লাহ ভালো ছিল। কোচ ইতিমধ্যে উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের প্রস্তুতির জন্য খুব অল্প সময় ছিল এবং দলের অধিকাংশ সদস্যই নতুন। তাই এটি আমাদের জন্য শুরুর অংশ। আলহামদুলিল্লাহ, প্রস্তুতি ভালো হয়েছে।”
সাত দলের এই আসরে সবাইকে একই মানের মনে হচ্ছে খোদারাহমির। এই ইরানি কোচের কথাতেও ঢাকায় বলা কথারই প্রতিধ্বনি। থাইল্যান্ডে গিয়েও তিনি ফুটসাল নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বড় পরিসরে ভাবনার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করলেন।
“এই আয়োজনের জন্য এএফসি, এএফএফ এবং সাফকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশে নারী দলের জন্য…দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম সাফ (ফুটসাল) আয়োজন। আমার মনে হয় সব দলই সমান পর্যায়ের; কারণ, এটি সবার জন্যই নতুন। খেলোয়াড় নির্বাচনের জন্য আমরা মাত্র এক মাস সময় পেয়েছি এবং আপনারা জানেন যে আমাদের সব খেলোয়াড়ই মূলত ফুটবলার, কারণ বাংলাদেশে কোনো ফুটসাল নেই।”
“হ্যাঁ, আমি মিয়ানমারে গিয়েছি, যা এখন বাংলাদেশের মতোই। আমি এই দেশের (বাংলাদেশ) জন্য পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা চাই। আমি যখন মিয়ানমারে গিয়েছিলাম তখন তাদের র্যাঙ্কিং ছিল ১০৩, এখন আলহামদুলিল্লাহ তাদের র্যাঙ্কিং সম্ভবত ৬৯ বা ৬৮। আমি খুবই আনন্দিত। শুরুর জন্য সব দেশেরই ভালো পরিকল্পনা এবং ভালো ভিত্তি প্রয়োজন। আমি আশা করি ভবিষ্যতে সাফ কোয়ালিফিকেশন ধাপ পেরিয়ে ইনশাআল্লাহ বিশ্বকাপে যাবে। আমি আশাবাদী কারণ এখানে সম্ভাবনা আছে।”