Published : 20 Apr 2026, 05:48 PM
আরেকটি দাপুটে জয়ে চার রাউন্ড বাকি থাকতেই লিগ শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে বায়ার্ন মিউনিখ। তবে এতে অতি উচ্ছ্বাসের কিছু দেখছেন না দলটির কোচ ভেসোঁ কম্পানি। কারণ, লক্ষ্যটা যে আরও বড়। মৌসুমে এখনও দুটি শিরোপার জন্য লড়ছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় রোববার স্টুটগার্টকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বুন্ডেসলিগা টেবিলে যে কারো ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে বায়ার্ন। দ্বিতীয় স্থানে থাকে দলের তারা এগিয়ে ১৫ পয়েন্টে। জার্মানির শীর্ষ লিগে টানা দ্বিতীয় ও ১৪ মৌসুমে ত্রয়োদশবার চ্যাম্পিয়ন হলেও, দলটিতে দেখা যায়নি তেমন উদযাপন।
কারণটা ম্যাচের পর জানালেন কম্পানি। আত্মবিশ্বাস নিয়ে ট্রেবল জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে যেতে চান তিনি ও তার দল।
“মৌসুম এখনও শেষ হয়নি। এখনও অনেক কিছু জেতার আছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আমাদের সামনে আছে পিএসজি, টুর্নামেন্টটির বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা, হয়তো সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। তবে এর আগে আমাদের সামনে আছে বায়ার লেভারকুজেন।”
“আমি এখানে থামতে চাই না। সামনে আছে (শিরোপা) নির্ধারণের কয়েকটি সপ্তাহ। আমরা সেই লক্ষ্যেই আছি, অবশ্য আমরা এটাও জানি লড়াই কতটা কঠিন হবে। আমাদের বিশ্বাস আছে এবং ফুটবলে এর গুরুত্ব অনেক।”
আগামী বুধবার জার্মান কাপের সেমি-ফাইনালে বায়ার লেভারকুজেনের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। আর ২৮ এপ্রিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে পিএসজির মুখোমুখি হবে কম্পানির দল।
ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় বায়ার্ন সবশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০২০ সালে। ওই একই বছরে তারা বার্লিনের জার্মান কাপ ফাইনালেও উঠেছিল, সেবার চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা।
বুন্ডেসলিগায় বায়ার্নের টানা ১১ মৌসুমের আধিপত্য ভেঙে ২০২৩-২৪ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় বায়ার লেভারকুজেন। শিরোপাশূন্য ওই মৌসুমের পর, ২০২৪ সালে টমাস টুখেলের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেন কম্পানি এবং বায়ার্নের ডাগআউটে প্রথম দুই মৌসুমেই লিগ জয় করলেন কম্পানি।
তার কোচিংয়ে ইতোমধ্যে বুন্ডেসলিগার ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছে বায়ার্ন। ৩০ ম্যাচেই করেছে ১০৯টি গোল, আগের রেকর্ড ছিল ১০১টি, তাদের নিজেদেরই। প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতায় এগিয়ে চলা কম্পানির দল বাকি টুর্নামেন্টেও টপ ফেভারিট।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও জার্মান কাপ এখনও জিততে পারেননি বেলজিয়ান কোচ কম্পানি। এবারই সেই স্বাদ পেতে মরিয়া তিনি।
“আজ যা অর্জন করলাম, তা উদযাপনের জন্য আমরা অনেক সময় পাব। কিন্তু এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা আর কী অর্জন করতে পারি, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া।”