Published : 07 Sep 2025, 06:09 PM
যেখানে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল ও সেরা ১০টি বছর কাটিয়েছেন, যে দলকে সাফল্যের চূড়ায় তুলতে ভূমিকা রেখেছেন সামনে থেকে, সেই ম্যানচেস্টার সিটিতে শেষটা প্রত্যাশিত হয়নি কেভিন ডে ব্রুইনের। তবে ওই ক্লাবের প্রতি তার ভালোবাসার কোনো কমতি হয়নি। ‘এক দশকের ঠিকানা’ ছেড়ে আসার কয়েক মাসের মধ্যেই সেখানে ফিরতে হচ্ছে বেলজিয়ান তারকাকে, তবে এবার প্রতিপক্ষ হয়ে। তাতে অদ্ভুত এক অনুভূতি হচ্ছে ডে ব্রুইনের।
২০১৫ সালে ভলফসবুর্ক থেকে সিটিতে পাড়ি দিয়ে অল্প সময়েই, কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার আক্রমণাত্মক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন এই প্লেমেকার। গত এক দশকে ক্লাবটির প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ও টানা চারটিসহ মোট ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ জয় এবং আরও অনেক সাফল্যের মূল কারিগরদের একজন ছিলেন তিনি।
গত মৌসুমে চোটের ছোবলে অবশ্য বেশ ভুগতে হয় ডে ব্রুইনেকে, পারফরম্যান্সেও ছিল না আগের ধার। তারপরও কোচের আস্থায় ঠিকই ছিলেন তিনি। কিন্তু, ক্লাব কর্তাদের থেকে নতুন চুক্তির প্রস্তাব পাননি তারকা মিডফিল্ডার। তাই, মনে কষ্ট নিয়ে গত জুনে পাড়ি জমান নাপোলিতে। ইতালিয়ান দলটির হয়েই আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে সিটির বিপক্ষে মাঠে নামবেন ডে ব্রুইনে।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামের ম্যাচটি দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন আসরে যাত্রা শুরু হবে দল দুটির, যেই মাঠে অনেক অনেক শিরোপা উৎসব করেছেন ডে ব্রুইনে। সেখানে এবার প্রতিপক্ষ হয়ে মাঠে নামতে কেমন লাগবে, জানালেন বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা এই ফুটবলার।
“নাপোলির হয়ে আমরা শীঘ্রই ম্যানচেস্টারে সিটির বিপক্ষে খেলব। বিষয়টা অদ্ভূত হবে। সিটি আমার ক্লাব আর এটা কখনও বদলাবে না।”
ইংলিশ ফুটবলে এক দশক খেলে এখন ইতালিয়ান ফুটবলে, যেখানে ফুটবলের ধরণ বেশ আলাদা, সবকিছু মিলিয়ে কেমন লাগছে, জানালেন ডে ব্রুইনে।
“সেরি আয় আমি কেবল দুটি ম্যাচ খেলেছি। পেপ গুয়ার্দিওলার থেকে আন্তোনিও কন্তের কোচিংয়ে খেলা কিছুটা ভিন্ন রকমের।”
“আমার প্রথম অনুভূতি হলো, ইতালিতে ফুটবল একটু বেশি কৌশলগত ও কিছুটা ধীর গতির। তবে এটাও ফুটবল। ম্যানচেস্টার সিটিতেও আমি অন্য ধরনে খেলেছি।”
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গত সপ্তাহে লিখটেনস্টাইনকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বেলজিয়াম। প্রথম তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘জে’ গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা ডে ব্রুইনে ও লুকাকুরা রোববার কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবেন।