উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
Published : 06 Jun 2026, 11:56 PM
ভারত কোচ ক্রিসপিন ছেত্রি সংবাদ সম্মেলনে এসেও বরাবরের মতোই মৃদুভাষী থাকলেন। ছোট ছোট কথায় উত্তর দিলেন। সেখানে অবশ্য আড়াল হলো না, ২০১৯ সালের পর উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট ফিরে পাওয়ার উচ্ছ্বাস।
গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে শনিবার বাংলাদেশকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ভারত। এই প্রতিযোগিতায় রেকর্ড শিরোপাধারী তারা আগেই ছিল, এখন সংখ্যা দাঁড়াল ৬টি।
নেপালে ছয় বছর আগে বাংলাদেশের কাছে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের শিরোপা হারিয়েছিল ভারত। এবার বাড়ির উঠানে দাপুটে খেলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। ছেত্রির মনে হচ্ছে, ফাইনালে ‘ব্রিলিয়ান্ট’ ছিল তার দল।
“সত্যিই খুব আনন্দিত (দলের পারফরম্যান্সে)। মেয়েরা ব্রিলিয়ান্ট ফুটবল খেলেছে। আমি মনে করি, এটা একদিক থেকে আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ ছিল, কারণ আমাদের দলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় ছিল। অনেকটা বাংলাদেশের মতোই। তবে, আমার মনে হয়, আমাদের তরুণ মেয়েরা দারুণ মানসিকতা দেখিয়েছে এবং আমি মনে করি, এই মুহূর্তটা উপভোগ করা তাদের প্রাপ্য।”
ফাইনালের আগে ছেত্রি বলেছিলেন, চাপ সামাল দিতে পারা দলই হাসবে বিজয়ীর হাসি। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা দ্রুতই বাংলাদেশ সামলে উঠেছিল ঋতুপর্ণা চাকমার গোলে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ভারত কোচের মনে হচ্ছে, তার দল স্নায়ুর চাপ সামলেই পা রেখেছে চূড়ায়।
“আমি যেমনটা বললাম, আমার মনে হয় বাংলাদেশও তরুণ ও অভিজ্ঞদের একটা মিশ্রণ নিয়ে এসেছিল। তারা ঋতুপর্ণা, মনিকা, মারিয়াদের মতো সিনিয়র খেলোয়াড়দের পাশাপাশি অনেক তরুণদের নিয়ে এসেছে। তবে আগের মতোই বলব- চাপটা বেশি ভালো সামলাতে পারাটাই আসল। আমার মনে হয়, আমাদের তরুণ খেলোয়াড়রা চাপটা অনেক ভালো সামলেছে, তাই আমরা জয়ী দলে আছি। তবে, আমার মনে হয়, বাংলাদেশ একদম সঠিক পথেই এগোচ্ছে।”
“প্রথমার্ধের তুলনায় আমার মনে হয়, দ্বিতীয় অর্ধে আমাদের অনেক বেশি ক্ষুধা এবং জেতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। তাই, মাঝে মাঝে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর আমার মনে হয় সেই কারণেই আমরা ম্যাচটা জিতেছি।”