২০২৬ বিশ্বকাপ
Published : 14 Jan 2026, 01:19 PM
বিশ্বকাপ ট্রফি জামাল ভূঁইয়া এর আগেও দেখেছেন একাধিকবার, তবে টিভি পর্দায়। এবারই প্রথম কাছ থেকে দেখলেন তিনি। অরাধ্য ট্রফি এত কাছ থেকে দেখার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে জামালকে। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক চান, এই ট্রফি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বিশ্বকাপে একটু নতুন অধ্যায় লেখুক বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম।
বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে কোকা-কোলার ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি বুধবার সকালে ঢাকায় নিয়ে এসেছে। ট্রফি বরণ করে নেওয়া দলে ছিলেন অধিনায়ক জামালও। সেই দেখা নিয়ে গণমাধ্যমকে বলতে গিয়ে আবেগ ঝরল তার কণ্ঠে।
“সত্যি বলতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার অভিজ্ঞতা জোশ ছিল। গিলবার্তো (সিলভা) আসছে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে, আমি এই প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি দেখলাম। আমার খুব ভালো লাগছে আর আমি তো মনে করেছি ট্রফিটা ছোট, এটা আসলে অনেক বড়। আমি জিজ্ঞেস করেছি এর ওজন কেমন, তারা বলেছে অলমোস্ট চার কেজি…খাটি স্বর্ণের। অভিজ্ঞতা খুবই ভালো ছিল।”
এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ ট্রফি। জামালের বিশ্বাস এবারের ট্রফি আসা দেশের বর্তমান এবং নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রাণিত করবে দারুণভাবে।
“যেহেতু ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আশা করি, আমাদের ফুটবলার যারা কঠোর পরিশ্রম করতে পারে, এটা তাদের জন্য অনুপ্রেরণার হোক। আমি মনে করি, যারা ফুটবলার হতে চায়, তাদের জন্য এই ট্রফি আরও অনুপ্রেরণার হবে। এই ট্রফি…আমি মনে করি, নতুন প্রজন্ম বিশ্বকাপে একটা অধ্যায় লিখতে পারে।”
ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তোর সঙ্গেও কথা হয়েছে জামালের। সেখানে তিনি তারা ব্রাজিল প্রেমের কথা বলতে ভোলেননি। তবে বিশ্বকাপ জয়ের প্রশ্নে, তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন জন্মভূমি ডেনমার্ককে!
“ছোটবেলা থেকে আমি ব্রাজিলকে অনুসরণ করেছি। আমার প্রথম ফেভারিট খেলোয়াড় ছিলেন রোনালদো (নাজারিও)। বিশেষ করে, গিলবার্তোর সামনেও বলেছি ২০০২ সালে ব্রাজিল দলটাও আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করেছে, তখন আমার বয়স ছিল ১২ বছর। এই দলটায় ছিল রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনিয়ো এবং গিলবার্তোও ছিল, এটা আমার জন্য ছিল বাড়তি মোটিভেশন।”
“টিভিতে ট্রফি দেখলে এক কথা, সামনে থেকে দেখলে আরেক কথা। এখন আমি চাই ডেনমার্ক…যেখানে আমার জন্ম, ডেনমার্ক যদি না পারে (জিততে), তাহলে ব্রাজিল পারুক।”