জামানত হারাচ্ছেন রাজশাহী ও সিলেট সিটির ৮ মেয়রপ্রার্থী
নিয়ম অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের আটভাগের এক ভাগও না পাওয়া জামানত হারাচ্ছেন তারা।
রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে ভোট না পাওয়ায় জামানত হারাচ্ছেন মেয়র পদের আট প্রার্থী।
নিয়ম অনুযায়ী ভোটের ফলাফলে মোট বৈধ ভোটের আটভাগের এক ভাগ ভোটও না পাওয়া এই প্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছেন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বুধবার চার মেয়রপ্রার্থী মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৮ ভোট। প্রাপ্ত এই ভোটের আট ভাগের এক ভাগ হচ্ছে ২৪ হাজার ৪৫৭ ভোট।
নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ ইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ছাড়া মেয়র পদের অন্য কোনো প্রার্থী ওই পরিমাণ ভোট পাননি।
ফলে রাজশাহী সিটিতে হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলনের মুরশিদ আলম (১৩,৪৮৩ ভোট), জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের সাইফুল ইসলাম স্বপন (১০,২৭২ ভোট) ও জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের লতিফ আনোয়ার (১১,৭১৩ ভোট) জামানত হারাচ্ছেন।
অন্যদিকে একই দিন সিলেট সিটি নির্বাচনেও শর্ত পূরণ করতে না পারায় জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর।
এই সিটিতে মোট আটজন মেয়র পদে লড়েন। ফলাফল ঘোষণায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
নির্বাচনে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৪৩ ভোট পড়ে। এর আট ভাগের এক হিসাবে ২৮ হাজার ৩৩০ ভোটের বেশি পেয়েছেন আওয়ামী লীগের আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল (৫০,৮৬২ ভোট) এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোহাম্মদ শাহ জাহান মিয়া (২৯,৬৮৮ ভোট)।
ভোটে জামানত রক্ষার শর্ত পূরণ করতে পারেননি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান (১২,৭৯৪ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হানিফ কুটু (৪,২৯৬ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ছালাউদ্দিন রিমন (২,৬৪৮ ভোট), জাকের পার্টির জহিরুল আলম (৩,৪০৫ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা (২,৯৫৯ ভোট)।
সিটি নির্বাচনে মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিলেটের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ বলেন, কাস্টিং ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোটও না পাওয়ায় এই প্রার্থীরা জামানত ফেরৎ পাচ্ছেন না।
সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নিতে বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের বর্জনের মধ্যে রাজশাহীতে ভোটের হার দাঁড়ায় ৫৬ দশমিক ২০ শতাংশ। আর সিলেট সিটিতে ভোট পড়ে ৪৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
আরও পড়ুন-
