Published : 18 Jun 2023, 08:58 PM
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হয়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
রোববার ভোর ৫টা থেকে ভাঙনের কবলে পড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। ধীরে ধীরে স্কুল অ্যান্ড কলেজটির গোটা স্থাপনা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।
ফলে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাত শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম মণ্ডল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি দুপুরেও প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে এসেছি। তখন অর্ধেকটাই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে রাতের মধ্যে পুরু ভবনটি নদীগর্ভে চলে যাবে।”
কেবল এই প্রতিষ্ঠানটিই নয়, গত মাসের শেষের দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর ভগবতীপুরেও ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
এতে চরভগবতীপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ চরভগবতীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকও নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়া উলিপুরের মোল্লারহাটসহ কয়েকটি চরের অন্তত তিন শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি ও বিপুল আবাদী জমি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে।
উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বাড়ছে। এর মধ্যে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার অববাহিকা ও তৎসংলগ্ন উজানের ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এতে এসব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।