স্ত্রী হত্যার পর খাটের নিচে লাশ: স্বামীর যাবজ্জীবন
লাশ গুম ও আলামত গোপনের অপরাধে মুস্তাককে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন বলে জানান সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুস্তাক গোপালপুর উপজেলার বাগুয়াটা গ্রামের মৃত আজমত আলীর ছেলে। মামলা চলাকালে তিনি জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।
মামলার বরাতে পিপি বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাত থেকে পরদিন বিকালের মধ্যে কোনো এক সময় মুস্তাক তার স্ত্রী মুনিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
পরে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বক্স খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন। স্বজনরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে খাটের নিচ থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় মুনিয়ার ভাই মো. আমিনুল ইসলাম খান পরদিন ভূঞাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মেহেদী হাসান তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর মুস্তাকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
এ ছাড়া লাশ গুম ও আলামত গোপনের অপরাধে মুস্তাককে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
