কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে মিলল ৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা
গণনার কাজে মসজিদ-মাদ্রাসার ১৩৮ শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের ৬০ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২০০ জন অংশ নেয়।
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৭৮ লাখের বেশি টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার সকালে আটটি দানসিন্দুক খুলে মোট ২৩ বস্তা টাকা ও অন্যান্য মুদ্রা পাওয়া যায়। পরে তা গণনা শুরু হয়। এবার দানবাক্স খোলা হয়েছে ৩ মাস ১৩ দিন পর।
গণনার দায়িত্বে থাকা রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম রাতে সাংবাদিকদের বলেন, “এবার মোট ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা পাওয়া গেছে। এটা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।”
এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া ডলার, পাউন্ড, রিয়াল, দিনার, রিঙ্গিতসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার অলঙ্কারের হিসাব এখনও করা হয়নি।
এর আগে চলতি বছরের ৬ মে সর্বশেষ দানবাক্সের টাকা গণনা করে ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সেবার ৩ মাস ৬ দিন পর দানবাক্স খোলা হয়েছিল।
পাগলা মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, সকাল ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে দানবাক্স কমিটির আহ্বায়ক ও কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে বাক্সগুলো খোলা হয়।
দানবাক্স থেকে টাকা প্রথমে ২৩টি বড় বস্তায় ভরা হয়। এরপরই গণনার কাজ শুরু হয়। রাত ৯টা টাকা গণনার কাজ শেষ হয়।
গণনার কাজে মসজিদ-মাদ্রাসার ১৩৮ শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের ৬০ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২০০ জন অংশ নেয়।
