Published : 08 Nov 2025, 09:29 PM
নেতাকর্মীরা ১৭ বছর কষ্ট করেছেন, তাই ৩০০ আসনেই দলীয় প্রার্থী চাইলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, “আমরা ১৭ বছর কষ্ট করেছি, ৩০০ আসনেই দলের প্রার্থী চাই। দল যাকে মনোনয়ন দেবে নিশ্চয় তিনি যোগ্য হবেন। তবে একইসঙ্গে নেতাকর্মীরা আমাকে যে অনুরোধ জানাবে, তাদের প্রাণের দাবিও আমার শুনতে হবে।”
শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উপজেলা শাখার পরিচিতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাকি ৬৩ আসনে কোনো প্রার্থী দেয়নি দলটি।
স্থগিত রাখা আসনগুলোতে দ্রুত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “বিএনপির অনেক বড় একটি রাজনৈতিক দল, দীর্ঘ ১৭ বছর সংগ্রাম করেছে ও ত্যাগ স্বীকার করেছে। বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য দলের জোট গঠনের কথা চলছে।
“জোটের শরীকরা যে আসনগুলো চেয়েছে, সেখানে আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে দ্রুতই এসব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।”
বিএনপি থেকে ঘোষণা করা ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে রুমিন ফারহানা নাম নেই। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া প্রসঙ্গে সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, “আমি জনগণের সঙ্গে ছিলাম, আছি ও জনগণের সঙ্গে থাকব।
“আজ আমি যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছি, তার পেছনে আমার জনগণের অক্লান্ত পরিশ্রম আছে, তাদের শ্রম রয়েছে, তাদের অর্থ ব্যয় রয়েছে। নেতাকর্মীরা আমাকে যে সিদ্ধান্ত দেবে, আমার ভোটাররা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সরাইল-আশুগঞ্জের জনগণ যে সিদ্ধান্ত দেবে, তার সঙ্গে আমি থাকব।”
ওলামা দল আশুগঞ্জ উপজেলা শাখার সংবর্ধনা ও পরিচিতি সভায় সভাপতিত্ব করেন তারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেন সাইমোল্লা। সভার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ইসহাক মিয়া। বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওলামা দলের সদস্যসচিব মাওলানা ইয়াহইয়া মাছউদ এবং আশুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক গাজী মুফতি দেলোয়ার হোসেন বেলালী।