Published : 10 Sep 2026, 05:19 PM
ছোটবেলা থেকেই শান্ত স্বভাবের পিয়াস ছিলেন সবার প্রিয়; চার বোনের একমাত্র ভাইটির এমন করুণ মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না নোয়াখালীর সুন্দলপুর গ্রামের মানুষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রামের বাড়ির প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে সেনাসদস্য আবু বকর সিদ্দিক পিয়াসের মরদেহ রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
এদিন সকালে চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে পিয়াসের মরদেহ নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ নেওয়া হয় কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামের বাড়িতে।
মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্ত্রী, শিশুসন্তান, মা ও বোনদের শেষবারের মতো দেখানো হয়। তখন পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরে মুন্সি সর্দার বাড়ির সামনে জানাজা শেষে সেনাবাহিনীকে তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম ও ‘গার্ড অব অনার’ জানানো হয়।
স্বজনরা জানায়, পিয়াস ছিলেন চার বোনের একমাত্র ভাই। তিনি স্ত্রী, বাবা-মা ছাড়াও ১৮ মাস বয়সী কন্যাসন্তান ফাতেমাকে রেখে গেছে। সেও বাবার মরদেহে দেখেছে। কিন্তু সে বুঝতে পারছে না, তার বাবা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। বাবা আর তাকে কোলে তুলে নেবে না।
আইএসপিআরের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পাতায় বুধবার দুপুরে বলা হয়, ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় এই ‘আকস্মিক দুর্ঘটনা’ ঘটে।
এতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ফায়ারিং রেঞ্জে প্রশিক্ষণে নিহত রিফাতকে সামরিক মর্যাদা আর চোখের জল
ফায়ারিং রেঞ্জে প্রশিক্ষণে নিহত ২ সৈনিক: শান্তশিষ্ট পিয়াসের মৃত্যু