Published : 18 Sep 2026, 08:44 PM
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ জনের মধ্যে এক যুবক দাবি করেছেন, একটি হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপের মাধ্যমে যোগাযোগের সূত্র ধরে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।
শুক্রবার বিকালে আটক করার পর তেজগাঁও থানায় নিয়ে ওই ২৩ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পরে সন্ধ্যায় মিন্টো রোডে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রিজন ভ্যান থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওই যুবক। জানতে চাইলে নিজের নাম বলেন শিহাব উদ্দীন।
তিনি বলেন, “একটি হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপের মাধ্যমে আমরা একত্রিত হয়েছিলাম মসজিদে। সেখানে বৈঠকে আমরা ব্যবসার বিষয় নিয়ে আলাপ করছিলাম।
“আজকে একত্রিত হওয়ার আগে আমরা একে অপরকে চিনতাম না। আমার পাশে যে দাঁড়ানো, তাকেও আমি চিনি না। আমরা কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত না। সে রকম কোনো প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।”
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, তেজগাঁও কলেজের মসজিদে ‘গোপন বৈঠকের’ খবর পেয়ে তারা সেখানে অভিযান চালান। পরে সেখান থেকে জঙ্গি সন্দেহে ওই ২৩ জনকে আটক করা হয়।
আটকদের কাছে থেকে ২৪টি মোবাইল ফোন এবং একটি বই উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের পরিদর্শক আকতার মোর্শেদ বলেন, “আজ সিটিটিসিতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে, কাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করবে পুলিশ।”
আটকদের মধ্যে শিহাব উদ্দীন ছাড়া আরও ১২ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন–আফিফ আহমেদ, সাজ্জাদ হোসেন, নজরুল, জিয়া উদ্দিন, হৃদয়, উদয়, শাওন, আজাদ, মেহেদী, রাকিব, জুনায়েদ আহমেদ, ও মেহেদী হাসান।
জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, “আমরা যাচাইবাছাই করছি। যাচাইবাছাই শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”