চুয়াডাঙ্গায় ভ্যানচালককে হত্যায় যুবকের আমৃত্যু কারাদণ্ড
এছাড়া সোহাগকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
চুয়াডাঙ্গায় ভ্যানচালক হত্যা মামলায় একজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গার দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ আলী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) এস এম শরীফউদ্দীন হাসু জানান।
দণ্ডিত সোহাগ আহম্মেদ (২৩) সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের মাঝের পাড়ার বাসিন্দা।
আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রায়ে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, সদর উপজেলার জুগিরহুদা গ্রামের ইয়ামিন আলীর ছেলে রুবেল হোসেন (১৪) সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। পড়াশোনার পাশাপাশি রুবেল তার বাবার ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালিয়ে সহযোগিতা করত।
গত বছরের ২৭ জুন সোহাগ রুবেলকে ফুসলিয়ে তার ভ্যানসহ উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের মাঠে একটি খেজুর বাগানে নিয়ে হত্যা করে লাশ মাঠের একটি ঝোড়ের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। পরে রেখে ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে সেই ভ্যান বিক্রির করার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহের ডাকবাংলা বুড়োপাড়া এলাকায় গেলে সোহাগের অসংলগ্ন কথাবার্তার কারণে লোকজনের সন্দেহ হওয়ায় তাকে পুলিশে দেয়। পরে লাশ উদ্ধার হলে সোহাগ হত্যার কথা স্বীকার করে।
ঘটনার পরদিন নিহত রুবেলের বাবা বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলার সোহাগকে একমাত্র আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সরোজগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই হারুন উর রশিদ গত বছরের ৩১ অগাস্ট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোহাগকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত এ রায় দেয়।
