Published : 17 Jan 2026, 10:22 PM
ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ছুরিকাঘাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক কর্মী নিহতের ঘটনায় ৬৩ জনের নামে মামলা হয়েছে।
মামলায় বিএনপির ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ২৫ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে; যার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে নিহত নজরুল ইসলামের ছেলে সোলায়মান বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন বলে জানান ধোবাউড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার উত্তর গামারীতলা গ্রামের প্রয়াত হাতেম আলীর ছেলে মো. আদম আলী (৫৪), চন্দ্রকোনা গ্রামের প্রয়াত আছম আলীর ছেলে মো. দুলাল মিয়া এবং ইব্রাহিম (৫৫)। গ্রেপ্তার আদম আলী ঘোষগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক। দুলাল মিয়া ও ইব্রাহিম বিএনপির কর্মী।
শুক্রবার সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নজরুল ইসলাম (৪৫) নিহত হন।
নিহত নজরুল উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থক ছিলেন।
হালুয়াঘাটা ও ধোবাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন দলটির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর উপজেলার এরশাদ বাজারে নিজের নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যান স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। উদ্বোধন শেষে ফেরার পথে বিএনপি প্রার্থী প্রিন্সের সমর্থকরা হঠাৎ নজরুল ইসলামের (৪৫) ওপর হামলা চালায়। তাকে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবিতে শনিবার বিকালে ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন নিহতের স্বজন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থকরা।
ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, নজরুল ইসলামের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।