খাগড়াছড়িতে ৪ ইউপিডিএফ নেতাকে হত্যার ঘটনায় মামলা
ময়নাতদন্ত শেষে চারজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে গুলি করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ এর চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
গুলিতে নিহত বিপুল চাকমার চাচা নিরুপম চাকমা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে বুধবার পানছড়ি থানায় মামলাটি করেছেন বলে জানিয়েছেন পানছড়ি থানার ওসি শফিউল আজম।
এদিকে বুধবার সকালে নিহতদের মরদেহ পানছড়ি থানা থেকে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ময়নাতদন্ত শেষে চারজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সোমবার গভীর রাতে পানছড়ির লোগাং ইউনিয়নের দুর্গম অনিল পাড়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ পিসিপির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল চাকমা, পিসিপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম লিটন চাকমা ও ইউপিডিএফ সদস্য রুহিন বিকাশ ত্রিপুরা নিহত হন।
পরে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে ইউপিডিএফ সংগঠক নীতি দত্ত চাকমা, হরিকমল ত্রিপুরা ও সদস্য প্রকাশ ত্রিপুরা।
ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা জানিয়েছিলেন, “মঙ্গলবার সেখানে গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের উদ্যোগে যুব সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। সম্মেলনে যোগ দিতে ওই চার জন সেখানে অবস্থান করছিলেন। রাতে তাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।”
এই ঘটনার জন্য ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) কে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সভাপতি শ্যামল চাকমা।
আরও পড়ুন:
