Published : 19 Mar 2026, 11:24 AM
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় একটি ধানক্ষেত থেকে সাত বছর বয়সী এক শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন ওই উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর-শ্রীনাথপুর গ্রামের দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী মোস্তাক আহমেদের বড় ছেলে।
বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির সামনের হাওরের ধানক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয় বলে ছাতক-দোয়ারাবাজার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন জানিয়েছেন।
মামুন স্থানীয় আমবাড়ি বাজার এলাকার আল হারামাইন একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও এলাকাবাসী বলছে, বুধবার দুপুরে চাচাত ভাই হাফিজুর রহমানের সঙ্গে বাড়ির পাশের বিলে মাছ ধরতে যায় মামুন। এক পর্যায়ে মামুনকে বিলে রেখেই বাড়িতে চলে আসে হাফিজুর। এরপর বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যায় হলেও মামুন বাড়িতে ফিরে না আসায় তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়।
এক পর্যায়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একই গ্রামের নুর আলমের ধানক্ষেতে মামুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পরিবারের লোকজন সেখান থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, “মামুনের মাথার পেছনে, ঘাড়ে ও পিঠে রক্তাক্ত ক্ষত চিহ্ন ছিল। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, বিলে মাছ ধরতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি মামুন। সন্ধ্যার আগে ক্ষেতে তার লাশ পাওয়া যায়।”
তিনি বলেন, “পাষণ্ডরা তাকে খুন করে লাশ ক্ষেতে রেখে গেছে। খুনিদের বের করে কঠিন শাস্তি দিতে হবে।”
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. মুরসালিন বলেন, “লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। শিশুর খুনিদের বের করে আইনের আওতায় নেওয়া হবে।”
দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদারও ঘটনাস্থল পরিতর্শন করে মামুনের খুনির খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।