১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালত থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী ফরহাদের ভাই

চেক জালিয়াতি মামলায় জমিন পেয়ে তিনি আদালত থেকে বের হয়ে বাড়ির পথে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হন।

মেহেরপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Jan 2025, 09:09 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:33 AM

মেহেরপুরে আদালত বাড়ি ফেরার পথে সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই সরফরাজ হোসেন মৃদুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   

আদালতের পিপি মোখলেসুর রহমন স্বপন বলেন, এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে দেড় কোটি টাকার চেক জালিয়াতি মামলায় আদালত থেকে জামিন পান মৃদুল। 

পরে জামিন পেয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলে সন্ত্রাস দমন আইনের অন্য মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে ফের আদালত নিয়ে যায়। 

এ মামলায় তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন মেহেরপুর বিচারিক আদালতের হাকিম জুয়েল রানা।

পিপি মোখলেসুর রহমন স্বপন বলেন, ব্যবসায়িক সহযোগী দেবাশীষ বাগচীর করা দেড় কোটি টাকার চেক জালিয়াতি মামলায় ৫ অগাস্টের পর থেকে পলাতক ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ভাই মৃদুল। 

আসামির অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও মামলার কার্যক্রম শুরু করে আদালত। 

মঙ্গলবার ওই মামলায় যুক্তিতর্কের দিন ছিল। পরোয়ানা নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন চান জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরফরাজ হোসেন মৃদুল। 

আদালত চেক জালিয়াতি মামলায় তাকে জামিন দেয়। আদালত থেকে বের হয়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা হলে মেহেরপুর সদর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মৃদুলকে গ্রেপ্তার করে আবারো আদালতে নিয়ে যায়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

আদালতে উপস্থিত মৃদুলের ব্যবসায়িক সহযোগী দেবাশীষ বাগচী বলেন, “আমি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। কারণ আমার সারাজীবনের অর্জিত অর্থ মৃদুল তার ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে আত্মসাৎ করে আমাকে পথে বসিয়েছে।”

সাবেক মন্ত্রীর ভাইয়ের পক্ষে জামিন শুনানিতে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা অংশ নেন। 

অন্যদিকে, জামিনের বিরোধিতা করে শুনানিতে অংশ নেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। 

একইদিনে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ভগ্নিপতি পিরোজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাসের পক্ষের আইনজীবীরা চাঁদাবাজি ও হত্যা চেষ্টা ধারার দুইটি মামলায় জামিন চান। 

মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ মঞ্জুরুল ইমাম ওই দুই মামলায় বাবলু বিশ্বাসের জামিন নাচক করে দেন।