Published : 21 Apr 2026, 11:33 PM
চাল আমদানির সরকার ঘোষিত ৪০ দিনের বর্ধিত সময়ও শেষ। এই সময়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল (সোমবার) পর্যন্ত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিন কার্যদিবসে এসব চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। ছয়টি চালানের মাধ্যমে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হল।
এসব চালের আমদানিকারক মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ এবং লাইবা ওভারসিস নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড়করণের জন্য কাজ করেছেন মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকার নির্ধারিত চাল আমদানির পরিমাণ অনেক কমে যাওয়ায় এবং দেশের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকার চাল আমদানি সময় ৪০ দিন বাড়ায়।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল পাঁচ হাজার পাঁচ টন। ওই সময় ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।

বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে আর সময় বাড়ানোর কোনো পরিপত্র জারি করা হয়নি।
যশোরের নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, “ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে এক হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। চাল এরই মধ্যে খালাস করা হয়েছে। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে।”