১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেরপুরের পাহাড়ের সংরক্ষিত বনভূমি থেকে ৩৫টি সবজি বাগান উচ্ছেদ

একই সঙ্গে বন্যহাতির চলাচলের জায়গা থেকে জিআই তার কেটে দিয়ে বৈদ্যুতিক জেনারেটর ভেঙে ফেলা হয়েছে ।

শেরপুরের পাহাড়ের সংরক্ষিত বনভূমি থেকে ৩৫টি সবজি বাগান উচ্ছেদ
শেরপুরের শ্রীবরদীর গারো পাহাড়ের সংরক্ষিত বনভূমিতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান।

শেরপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Apr 2025, 03:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:37 PM

শেরপুরের শ্রীবরদীর গারো পাহাড়ের সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে অবৈধভাবে সবজি বাগান গড়ে তোলায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বন বিভাগ। 

সোমবার দিনভর চালানো অভিযানে ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরী রেঞ্জের সদর, মালাকোচা ও কর্ণঝোড়া বিটের আওতাধীন প্রায় ৩০ একর সংরক্ষিত বনভূমি থেকে প্রায় ৩৫টি অবৈধ সবজি বাগান উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানান বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন মিয়া। 

ময়মনসিংহ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এস বি তানভীর আহমেদ ইমন ও বালিজুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়ার নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন বলেন, “সংরক্ষিত বনভূমিতে হাতির নিরাপদ বিচরণ, খাদ্য ও আবাসস্থল পরিষ্কার করতে দিনব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সংরক্ষিত বনভূমিতে চাষকৃত অবৈধ সবজি বাগানগুলো সম্পূর্ণভাবে কাটা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যহাতির চলাচলের জায়গা থেকে জিআই তার কেটে দিয়ে বৈদ্যুতিক জেনারেটর ভেঙে ফেলা হয়েছে ।”

তিনি বলেন, “এর আগে বন বিভাগের পক্ষ থেকে অবৈধ দখলকারীদের বারবার নিষেধ ও মাইকিং করা হলেও তারা কোনোভাবেই মানছিল না। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা এ উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করি। পর্যায়ক্রমে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। “

ময়মনসিংহ বন বিভাগের সহকারি বন সংরক্ষক এসবি তানভীর আহমেদ ইমন বলেন, “বালিজুরী রেঞ্জের সব কয়টি বিটে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সংরক্ষিত বনভূমি কাউকে দখল করে সবজি বাগান করতে দেওয়া হবে না।”

অভিযানের সময় রাংটিয়া ফরেস্ট বিট কর্মকর্তা আব্দুল করিম, গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ, তাওয়াকোচা বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোরশেদ, সমেশ্চুরা বিট কর্মকর্তা কাউসার হোসেন, কর্ণঝোড়া বিট কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম সহ মধুটিলা, রাংটিয়া এবং বালিজুরী রেঞ্জের সব স্টাফ, ই আর টি প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রতিনিধি, বাগান উপকারভোগীসহ সচেতন মানুষ উপস্থিত ছিলেন।