Published : 13 Oct 2025, 09:33 PM
‘বিষাক্ত মদপানে’ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আরেকজন মারা গেছেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার দুপুরে শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, রোববার রাত ১টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনসার সদস্য রঞ্জু মিয়া মারা গেছেন। তিনি (৩০) উপজেলার খোট্টাপাড়া পূর্বপাড়ার মন্টু মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় মারা যাওয়া অপর চারজন হলেন- উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের খোট্টাপাড়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মাহবুবুর রহমান মণ্ডলের ছেলে কৃষক মিজানুর রহমান মণ্ডল লিটন (৫০), খোট্টাপাড়া সোনারপাড়া গ্রামের সোনার আবদুল হান্নান খোকার ছেলে অটোরিকশা চালক নাছিদুল ইসলাম (২৭), খোট্টাপাড়া পূর্বপাড়ার সুলতান মাহমুদের ছেলে ট্রাকচালক আবদুল মানিক আকন্দ (৩০), একই গ্রামের আবু বক্করের ছেলে অটোরিকশাচালক আবদুল্লাহ আল কাফী (৩০)।
পুলিশ জানায়, ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার বেজোড়া মধ্যপাড়া সনাতন ধর্মশালা পূজামণ্ডপের পাশে বেলতলা এলাকায় পাঁচজন একসঙ্গে মদ পান করেন। পরদিন সকাল থেকেই তাদের বমি ও পেট ব্যথা শুরু হয়। তখন তারা বিষাক্ত মদপানের কথা জানান। স্বজনরা একে একে সবাইকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ অক্টোবর রাতে মিজানুর রহমান মণ্ডল লিটন মারা যান। পরিবারের আবেদনের পর পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করে।
এরপর ৯ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে নাছিদুল ইসলাম, ১০ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে আবদুল মানিক আকন্দ এবং বিকাল ৫টার দিকে আবদুল্লাহ আল কাফী মারা যান।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিষাক্ত মদপানে আক্রান্তদের কিডনি অকেজো হয়ে যায়, যা তাদের মৃত্যুর কারণ।
শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, আনসার সদস্য রঞ্জু মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। স্বজনরা মামলা করলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।