Published : 06 Feb 2022, 11:21 PM
সর্বশেষ রোববার দুপুরে একজন মারা যান বলে জানান ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান।
মৃত ভোরোটনিকভ আলেকজান্দ্রা (৫৫) এই প্রকল্পের ‘নিকিমথ’ নামের একটি রুশ সাব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কমর্রত ছিলেন।
ঘুমের মধ্যে, সিঁড়ি থেকে পড়ে ও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তাদের মৃত্যু হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, ভোরোটনিকভ আলেকজান্দ্রা প্রকল্পের ‘গ্রিনসিটি’ আবাসিক এলাকায় একটি কক্ষে থাকতেন। রোববার দুপুরের দিকে তাকে তার ফ্ল্যাটে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এক সহকর্মী। পরে গ্রিনসিটি ও রূপপুর প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়।
“পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।”
তবে এ সম্পর্কে গ্রিনসিটি ও রূপপুর প্রকল্পের কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।
ওসি আসাদুজ্জামান আরও জানান, গত শুক্রবার [৪ ফেব্রুয়ারি] রাতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘টেস্ট রোসেম’ নামে রুশ সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রুশ নাগরিক চুকিন পাভেল (৪৮) অসুস্থ হয়ে পড়েন।
“গ্রিনসিটি আবাসিক থেকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
পুলিশ জানায়, ওইদিনই রাত ২টার দিকে তলমাসেফ ভাইয়াসেলভের (৫৯) নামের আরেক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। তিনি ১২ নম্বর আবাসিক ভবনের ১৩ তলার ১৩১ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকতেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের এসএমইউ-১ নামে আরেকটি সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইনস্টলার হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
ওসি বলেন, তিনি ১৪ তলার সিঁড়ি থেকে পড়ে অজ্ঞান হন। পরে কোম্পানির নিজস্ব ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, এর আগে গত বুধবার [২ ফেব্রুয়ারি] শাকিরভ আলেক্সেই ঘুমের মধ্যে এবং ২৮ জানুয়ারি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বারচেনকো আলেক্সেই। তারা দুজনই এই প্রকল্পের কর্মী ছিলেন।