Published : 28 Apr 2020, 01:32 AM
সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খন্দকার আশফাকুজ্জামান বলেন, “ঘটনাটি তদন্তাধীন।”
কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি জানিয়ে তিনি বলেন, “গুলির খোসাসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”
করোনাভাইরাসের অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে রোববার রাত পৌনে ৮টায় সেখানে পরপর দু’টি গুলি করা হয়। ভবনের তৃতীয় তলার প্রকৌশল অধিদপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী কক্ষের জানালা ভেদ করে গুলি ভেতরে প্রবেশ করে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ৮টি প্যাকেজে প্রায় ৭ কোটি টাকার সাবমার্সেবল পাম্পসহ নলকূপ ও ওয়াশব্লক নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ কাজগুলোতে ১০ জন ঠিকাদার অংশ নিয়েছেন।
“এখনও পরিস্কার নয় কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
ঘটনার সময় তিনি কক্ষের ভেতরেই ছিলেন তিনি। জানালার বরাবর বা কাছাকাছি থাকলে ঘটনা অন্য রকম হতে পারত বলে মনেও করছেন তিনি।
দুর্যোগের কারণে সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য কোয়াটার না থাকায় অফিস ভবনের তৃতীয় তলার এক কক্ষে রাত্রি যাপন করছেন তিনি। তার অফিস থেকে হাত ধোয়ার বেসিন, ব্লিচিং পাউডার ও সাবান বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। এছাড়া টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ত্রাণ কার্যক্রমের মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পালন করতে পরিবার রেখেই সেখানে থেকে কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি আনিচুর রহমান বলেন, “করোনার এই দুর্যোগের মধ্যেও মূল শহরের ভেতরে এ ঘটনা পুলিশকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে। পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তারা গিয়েছেন। আমাদের অবস্থান থেকে যা যা প্রয়োজন সবই করা হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তার কক্ষে গুলির এ ঘটনা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ঘটনার সাথে যার ছেলে-মেয়েই জড়িত থাকুক না কেন-তাকে আইনে আওতায় নিয়ে আসা হবে।
“এখন লিখিত অভিযোগ পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, “এফআইআর করার জন্য আমরা বলে দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথেও কথা হয়েছে।”