Published : 07 Jul 2026, 03:43 PM
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় শিক্ষার্থীকে দিয়ে এক সহকারী শিক্ষিকার শরীর মাসাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে মঙ্গলবার ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার কথা জানিয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম।
বিভাগীয় মামলার চিঠি পাওয়া মোছা. কাজলী আক্তার চারঘড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।
এর আগে রোববার উপজেলার চাপানী ইউনিয়নের চারঘড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের কক্ষে সহকারী শিক্ষিকা কাজলী আক্তার একটি বিছানায় শুয়ে আছেন। এ সময় এক শিশু শিক্ষার্থী তার শরীর মাসাজ করে দিচ্ছে। একই কক্ষে উপস্থিত অপর দুই সহকারী শিক্ষিকা চেয়ারে বসে ছিলেন। তাদের একজন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন, অপরজন গল্পে ব্যস্ত ছিলেন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ছড়ালে এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে সোমবার ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী কাজলী আক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ওই শিক্ষকের কাছে সন্তুষ্টজনক জবাব চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।