ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র

এই কেন্দ্রে উৎপাদনের জন্য ৬০ দিনের কয়লা মজুদ আছে; ফলে কয়লা সংকটের কোনো কারণ নেই।

কক্সবাজার প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Feb 2024, 11:25 AM
Updated : 14 Feb 2024, 11:25 AM

কক্সবাজারের মাতারবাড়ীর কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট আগামী ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে। সেখান থেকে আসবে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিদর্শনে গেলে এ কথা জানান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড-সিপিজিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, “এখন পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।”

মুখ্য সচিবকে তিনি জানান, এই কেন্দ্রে উৎপাদনের জন্য ৬০ দিনের কয়লা মজুদ আছে; ফলে কয়লা সংকটের কোনো কারণ নেই।

তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরও পরিদর্শন করেন তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। যেখানে তিনি একটি সমন্বয় সভাও করেন।

এর আগে সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম থেকে নৌপথে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরের জেটিতে পৌঁছেন মুখ্য সচিব।

সঙ্গে ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল, বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহায়েল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল আহমেদ, কক্সবাজারের ডিসি শাহীন ইমরানসহ বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকরা।

মুখ্য সচিব বলেন, “মাতারবাড়ীর বিশাল উন্নয়ন যজ্ঞ। এই প্রকল্পের কাজ যথাযথ এবং দ্রুত শেষ করার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দক্ষ করতে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতেও বলা হয়েছে।”

মাতারবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ২৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের কাজও দ্রুত করা হবে বলে জানান তিনি।

বিকালে মুখ্য সচিব কালারমারছড়ায় যান জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাসের এসপিএম প্রকল্প পরিদর্শনে।

মুখ্য সচিবের উপস্থিতিতে এদিন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেলটিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এখন থেকে চ্যানেলের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ, চ্যানেলে যাতায়াতকারী জাহাজের বিভিন্ন মাসুলও তারাই আদায় করবে।

মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ, ২৫০ মিটার প্রস্থ, ১৮ দশমিক ৫ মিটার গভীরতার চ্যানেলটি খনন করা হয়েছে। 

[প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক]