Published : 14 Jul 2026, 06:08 PM
ভাটায় মাঝনদীতে আটকা পড়া হাতিয়ার মহানন্দা ফেরি জোয়ারে মুক্তি পেয়ে ঘাটে পৌঁছালেও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে যাত্রী ও যানবাহন নামাতে পারেনি।
অবশেষে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জোয়ারের পানি নামতে শুরু করলে যাত্রী ও ফেরিতে থাকা গাড়িগুলো নলচিরা ঘাট নামতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন ফেরি মাস্টার মো. করিম।
ফলে দুই-আড়াই ঘণ্টার নদীপথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা ফেরিতে আটকা পড়ে চরম ভোগান্তিতে পোহান যাত্রী-চালকরা।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে আড়াই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন নিয়ে নলচিরা ঘাট অভিমুখে রওনা হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটি) এর মহানন্দা ফেরি।
তবে কিছুদূর যাওয়ার পর সকাল ৮টার দিকে ফেরিটি মেঘনা নদীর চরে আটকা পড়ে।
পরে নদীতে জোয়ার আসার পর বেলা ১২টার দিকে ফেরিটি নলচিরা ঘাটে পৌঁছে। কিন্তু সেখানে দেখা মেলে আরেক বিপত্তির।
ফেরি মাস্টার মো. করিম বলেন, অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে নলচিরা ঘাট থেকে ফেরির পল্টুনের সংযোগ সড়ক ডুবে যাওয়ার যাত্রীরা তীর উঠতে পারছিল না। ফেরিতে থাকা যানবাহনও নামতে পারেনি।
বাধ্য হয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে স্পিডবোট ও নৌকায় ফেরি থেকে তীরে উঠেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরিটি সকাল সাড়ে ৬টায় চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ছাড়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টার বেশি বিলম্বে ছাড়া হয়। যার কারণে প্রথমে ভাটার সময় চরে তিন ঘণ্টা আটকা পড়ে। পরে ভরা জোয়ারের মুখে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে যাদের অফিস ও কোর্টে হাজিরা নির্ধারিত তারিখ ছিল তারা এবং যারা চিকিৎসার জন্য রোগী নিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।
তবে ফেরি মাস্টার মো. করিম বলেন, “চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ফেরি ছাড়তে ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। জোয়ার-ভাটার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু করার ছিল না।”